1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. চাকরি
  7. জাতীয়
  8. জীবনযাপন
  9. পুঁজিবাজার
  10. ফিচার
  11. বাণিজ্য
  12. বাংলাদেশ
  13. বিনোদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও

ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

dokhinersomoy
September 23, 2026 9:57 pm
Link Copied!

প্রতারণা, জালিয়াতি ও প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা দুটি মামলায় ফুডপান্ডা বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দা আমবারীন রেজাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ আদেশ দেন।

পরোয়ানা জারি হওয়া অপর চার আসামি হলেন—ফুডপান্ডার কো-ফাউন্ডার ও পরিচালক জুবায়ের সিদ্দিকী, হেড অব ক্যাটাগরি দিলারা ফারুক, ডিরেক্টর ডেলিভারি মো. তাবারেজ খান (ভারতীয় নাগরিক) এবং সিনিয়র ম্যানেজার ও ডিরেক্টর মোহাম্মদ সাজেদুল হক।

বাদীপক্ষের আইনজীবী জানান, আদালতের নির্দেশে গুলশান থানা পুলিশ মামলা দুটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করে। তদন্ত প্রতিবেদনে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পরে আদালত তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলায় যে অভিযোগ

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ‘প্রোটিন অ্যান্ড পেরিশেবল’ (পিএনপি) প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী শিহাব মাহমুদ বশির বাদী হয়ে গত বছরের ৩ জুলাই আদালতে মামলা দুটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের ২৩ জুন ফুডপান্ডার সহযোগী প্রতিষ্ঠান পান্ডামার্টের সঙ্গে চুক্তির পর দেশীয় ও আমদানিকৃত ফলমূল এবং সবজি সরবরাহ শুরু করেন শিহাব মাহমুদ বশির। শুরুতে নিয়মিতভাবে পণ্যের মূল্য পরিশোধ করা হলেও পরবর্তীতে আসামিরা জালিয়াতির আশ্রয় নেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বাদীর অভিযোগ, ১ লাখ টাকার পণ্য সরবরাহের বিপরীতে ব্যাংক হিসাবে মাত্র ১ থেকে ১০০ টাকার মতো নগণ্য পরিমাণ অর্থ জমা দেওয়া হতো। পাশাপাশি ভুয়া ব্যক্তিদের স্বাক্ষর ব্যবহার এবং একই দিনে একাধিক স্থানে ভুয়া ‘রিটার্ন টু ভেন্ডর’ (আরটিভি) স্লিপ তৈরি করে পণ্য ফেরত দেখানোর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে রাখা হয়। এভাবে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে মামলায়।

প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ফৌজদারি মামলাগুলো মূলত একটি ব্যবসায়িক বা বাণিজ্যিক বিরোধের সূত্র ধরে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, শিহাব মাহমুদ বশির নিজের দায় এড়ানো, প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাদের হয়রানি এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে প্রতিশোধমূলকভাবে এসব মামলা করেছেন।

তাদের আরও দাবি, চারটি মামলাই একই থানার পুলিশ তদন্ত করেছে। এর মধ্যে তদন্ত-পরবর্তী দুটি প্রতিবেদনে কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অপরাধের সূত্র পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তদন্তের তথ্য থেকে অভিযোগকারী পক্ষের কাছ থেকে ডিএইচ স্টোরস বাংলাদেশের অর্থ পাওনা থাকার বিষয়টিও প্রতীয়মান হয়েছে বলে প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, একটি আইন মেনে চলা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডেলিভারি হিরো স্টোরস বাংলাদেশ দেশের প্রচলিত আইন, বিচারব্যবস্থা ও সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়ার প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল। তারা আশা করছে, চলমান বিরোধের ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে।