1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. চাকরি
  7. জাতীয়
  8. জীবনযাপন
  9. পুঁজিবাজার
  10. ফিচার
  11. বাণিজ্য
  12. বাংলাদেশ
  13. বিনোদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দুই সন্তানের জননীর প্রেম কাহনের আপসরফা, ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

dokhinersomoy
October 14, 2026 1:23 pm
Link Copied!

দখিনের সময় ডেস্ক
জামালপুরের মেলান্দহে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেওয়া দুই সন্তানের জননীকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় সমঝোতা করতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সমঝোতার নামে ওই নারীর মুঠোফোন থেকে ভিডিও, ছবি ও অন্যান্য তথ্য মুছে ফেলতে চাপ দেওয়া এবং তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার খরচ বাবদ ৭ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকারিয়া আহম্মেদ জুয়েলের বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার নাংলা ইউনিয়নের রূপসীহাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এর আগে সোমবার দুপুর থেকে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেন ওই নারী। তার প্রেমিক আলী হোসেন ওই গ্রামের বাসিন্দা। ভুক্তভোগী নুরজাহান মেলান্দহ উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের ভালুকা গ্রামের বাসিন্দা। প্রথম সংসারের ইতি টেনে তিনি নারায়ণগঞ্জের একটি পোশাক কারখানায় সুইং অপারেটর হিসেবে কাজ করেন। আগের সংসারে তার ১৩ ও ৯ বছর বয়সী দুটি মেয়ে রয়েছে।
নুরজাহানের অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে আলী হোসেনের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। চার বছর ধরে চলা ওই সম্পর্কের পর তিনি বিয়ের স্বীকৃতি চান। সম্পর্ক চলাকালে নিজের উপার্জনের টাকাও আলী হোসেনকে দিতেন বলে দাবি করেন তিনি। একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হলে আলী হোসেনের পাঠানো টাকায় গর্ভপাত করান বলেও অভিযোগ তার।
নুরজাহান বলেন, সম্প্রতি শুক্রবার থেকে রোববার পর্যন্ত মেলান্দহের ডেফলা এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে তারা একসঙ্গে ছিলেন। পরে মেলান্দহের জিন্নাহ মার্কেট এলাকায় আলী হোসেন তার মায়ের অসুস্থতা ও প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার কথা বলে নুরজাহানের কাছ থেকে আলাদা হয়ে যান। এ সময় নিজের ব্যাগটি তার কাছে রেখে যান। এরপর থেকে আলী হোসেনের খোঁজ পাচ্ছিলেন না বলে দাবি করেন নুরজাহান।
সোমবার বিয়ের স্বীকৃতি চেয়ে আলী হোসেনের বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেন তিনি। তবে সেখানে পরিবারের কাউকে পাননি বলে জানান নুরজাহান। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হয়। নুরজাহানের দুই ফুফার মধ্যস্থতা এবং উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকারিয়া আহম্মেদ জুয়েলের সহযোগিতায় সোমবার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে সালিসের মাধ্যমে সমঝোতা হয় বলে জানা গেছে।
তবে টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে জাকারিয়া আহম্মেদ জুয়েল বলেন, তাদের অনুরোধে রাতে নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে তিনি ওই নারীকে তার বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছেন। সালিসি বৈঠকে এক ব্যক্তিকে নিজের পকেট থেকে ১ হাজার টাকা খরচ দিয়েছিলেন। পরে সেই টাকা ফেরত নিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে মেলান্দহ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব রাকিব হাসান রনি বলেন, ভুক্তভোগী নারীর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে জেলা নেতাদের সঙ্গে কথা বলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।