1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. চাকরি
  7. জাতীয়
  8. জীবনযাপন
  9. পুঁজিবাজার
  10. ফিচার
  11. বাণিজ্য
  12. বাংলাদেশ
  13. বিনোদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বাউফলে হিন্দু ব্যবসায়ীকে জীবিত পুড়িয়ে মারার হুমকি, বিএনপি নেতা অব্যাহতি

dokhinersomoy
September 19, 2026 2:10 am
Link Copied!

পটুয়াখালীর বাউফলে ব্যবসায়ী গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডলকে জীবিত পুড়িয়ে মারার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা ফরিদ উদ্দিন গাজীকে (৪৫) দলীয় সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিএনপির সদস্য পদসহ তার সব সাংগঠনিক দায়িত্বও বাতিল করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। দলীয় শৃঙ্খলার স্বার্থে বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি বিএনপির কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় সাংগঠনিক নেতৃবৃন্দের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শ্রী গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডলকে প্রাণনাশের হুমকি, বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জীবিত পুড়িয়ে মারার হুমকি-সংক্রান্ত একটি কলরেকর্ড সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি দলের শৃঙ্খলা, আদর্শ ও সাংগঠনিক ভাবমূর্তির পরিপন্থী হওয়ায় এবং বাউফল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবের লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা বিএনপি ফরিদ উদ্দিন গাজীকে দলের সদস্য পদসহ সব সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

এর আগে, বৃস্পতিবার সন্ধ্যায় পুলিশ একটি মামলায় ফরিদ গাজীকে বিলবিলাস বাজার থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শুক্রবার তাকে পটুয়াখালী আদালতে পাঠানো হয়।

ব্যবসায়ী গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডল (৫৩) গৌরাঙ্গ চন্দ্র মণ্ডলের ছেলে। তার বাড়ি বাউফল সদর ইউনিয়নের বিলবিলাস বাজার এলাকায়। তিনি ঢাকায় ভূমি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।

গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডলের অভিযোগ, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারণার জন্য তার পোস্টার-ফেস্টুন লাগানো হয়। এ নিয়ে ফরিদ গাজী তার কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ওই টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তাকে মোবাইল ফোনে জীবিত পুড়িয়ে মারার হুমকি দেওয়া হয়।

স্থানীয় বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, ফরিদ গাজী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। তবে উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আপেল মাহমুদ ফিরোজ এ বিষয়ে ভিন্ন তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ফরিদ গাজীর নাম উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির মূল তালিকায় নেই। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে হাই কমান্ড উপজেলা কমিটিতে সদস্য হিসেবে কয়েকজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে। সেখানে ফরিদ গাজীর নাম আছে। বিষয়টি জেলা কমিটিকে জানানোর পর তাকে দল থেকে অব্যহতি দেয়া হয়েছে।’

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ছুটিতে আছি। অভিযোগপত্র পেয়েছি। ফরিদ গাজীকে অন্য একটি মালমায় গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।’

এদিকে স্থানীয় কয়েকজন অভিযোগ করেছেন, ফরিদ গাজী আগে বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় থেকে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে । তবে এসব অভিযোগের সত্যতা বা কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।