1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. চাকরি
  7. জাতীয়
  8. জীবনযাপন
  9. পুঁজিবাজার
  10. ফিচার
  11. বাণিজ্য
  12. বাংলাদেশ
  13. বিনোদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সবখবর

টেম্পু অটোরিকশার কারণে বাড়ছে যানজট, বললেন শিমুল বিশ্বাস

dokhinersomoy
November 1, 2026 3:05 pm
Link Copied!

দখিনের সময় ডেক্স:
রাজধানীর সড়কে টেম্পু ও রিকশার আধিক্য এবং যানবাহনের অপরিকল্পিত চলাচলের কারণে যানজট বাড়ছে মন্তব্য করেছেন পরিবহন শ্রমিক ঐক্য পরিষদের প্রধান সমন্বয়কারী ও পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে ঢাকা রুট রেশলাইজেশন পদ্ধতিতে বাস সার্ভিস চালুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা পরিবহণ সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) এর নির্বাহী পরিচালক মসিউর রহমান।
শিমুল বিশ্বাস বলেন, নিম্নআয়ের মানুষের জীবিকার জন্য রিকশার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তবে যানজটের কারণে নগরবাসীর মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি বাড়ছে। ঢাকার যানজট নিরসন করা গেলে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও ইতিবাচক অবদান রাখা সম্ভব হবে।রাজধানী ঢাকার অসহনীয় যানজট, সড়কে বিশৃঙ্খলা এবং মানুষের জানমালের নিরাপত্তাহীনতা দূর করতে পুলিশ, পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও সাংবাদিকদের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান পাবনা-৫ আসনের এই সংসদ সদস্য।
শিমুল বিশ্বাস বলেন, ঢাকার সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে চারটি পক্ষের মধ্যে ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় জরুরি। এই চারটি পক্ষ হলো—সাংবাদিক, পুলিশ, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক। তাদের মধ্যে ঐকমত্য তৈরি হলে অসম্ভবকেও সম্ভব করা যাবে। তিনি আরো বলেন, ঢাকার বর্তমান বিশৃঙ্খল অবস্থা, অসহনীয় যানজট এবং মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তাহীনতার অবসান সবাই চান। তবে এই পরিস্থিতির পরিবর্তনে কাউকে না কাউকে উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। শিমুল বিশ্বাস আরো বলেন, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার পথে অন্যতম প্রধান বাধা হচ্ছে বিশৃঙ্খলা। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে একটি সুখী, সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়তে হলে সর্বক্ষেত্রে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
বিশেষ করে সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে শিমুল বিশ্বাস বলেন, এ ক্ষেত্রে বিআরটিএ, ডিটিসিএ, সিটি করপোরেশন ও বিআরটিসিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি পরিবহন খাতের চারটি গুরুত্বপূর্ণ পক্ষকে একযোগে কাজ করতে হবে। প্রায় ৭০ লাখ পরিবহন শ্রমিকের দায়িত্বশীল ভূমিকা, পরিবহন মালিকদের সহযোগিতা, পুলিশের বিশেষ করে ট্রাফিক বিভাগের কার্যকর দায়িত্ব পালন এবং সাংবাদিকদের ইতিবাচক ভূমিকা এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাবনা-৫ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, ঢাকার সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হলে এর প্রভাব সারা দেশে ছড়িয়ে পড়বে। বিদেশি অতিথিরা বিমানবন্দর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার পথে সড়কের বিশৃঙ্খলা দেখে বাংলাদেশের সামগ্রিক অবস্থা সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা পান। এর দায় কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়, বরং পুরো দেশের ভাবমূর্তির সঙ্গে জড়িত। শিমুল বিশ্বাস আরও বলেন, বিশৃঙ্খলায় কিছু মানুষ লাভবান হলেও শৃঙ্খলার সুফল ভোগ করেন সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ। তাই ব্যক্তিস্বার্থ ও অনিয়মের সংস্কৃতি পরিহার করে সম্মিলিতভাবে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। এ সময় জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ক বিভাগের ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রজেক্টের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ঢাকা নগরীতে বর্তমানে প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার কোটি মানুষের বসবাস। এত বিপুল জনগোষ্ঠীর শহরে সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত জরুরি।
পরিবহন খাতের নেতাদের উদ্দেশে শিমুল বিশ্বাস বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি ও জনজীবন সচল রাখতে পরিবহন খাতের ভূমিকা অপরিসীম। পরিবহনব্যবস্থা সচল থাকলে বন্দর, নগর ও মানুষের জীবনযাত্রা সচল থাকে। কিন্তু বিভিন্ন অনিয়মের কারণে এ খাতকে নিয়ে যে নেতিবাচক সমালোচনা তৈরি হয়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।