1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. চাকরি
  7. জাতীয়
  8. জীবনযাপন
  9. পুঁজিবাজার
  10. ফিচার
  11. বাণিজ্য
  12. বাংলাদেশ
  13. বিনোদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও

উত্তাল সাগরে ১৮ জেলে পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ

dokhinersomoy
September 24, 2026 12:54 pm
Link Copied!

দখিনের সময় ডেস্ক:

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে এফবি তাওসীন নামে একটি ট্রলার ইঞ্জিন বিকল হয়ে সাগরে আটকে পড়ছেন ১৮ জেলে।

বৃহস্পতিবার(২৪ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনার পাঁচ দিন পার হয়ে গেলেও তাদের উদ্ধার করা হয়নি।

এর আগে রোববার(২০ সেপ্টেম্বর) উপজেলার সোনারচরের দক্ষিণে রূপারচর সংলগ্ন সাগরে জেলেরা যান। ট্রলারের পাখা ভেঙে যাওয়ায় তারা সেখানে আটকে পড়েন। এতে ট্রলার মালিকসহ ১৮ জন জেলে রয়েছেন। ট্রলারটির মালিক ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হানিফ মাঝি। কিন্তু উত্তাল সাগরে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

মঙ্গলবার(২২ সেপ্টেম্বর) আটকে পড়া ট্রলারের হানিফ মাঝি মোবাইল ফোনে নেটওয়ার্ক পেয়ে আটকে থাকার বিষয়টি নিজ এলাকার মৎস্য আড়তদার ফরহাদ হোসেন পাটোয়ারীকে জানান। পরে ফরহাদের ছেলে জোনায়েদ আল সাকি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে উদ্ধারের সহায়তা চান।

ফরহাদ হোসেন পাটোয়ারী বলেন, ৯৯৯-এ কলের পর নৌপুলিশ তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তবে বড় বোট না থাকায় তারা ঘটনাস্থলে যেতে পারেনি। তারা জানিয়েছেন, জেলেদের উদ্ধারে একটি ট্রলার পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান বলেন, বুধবার রাত ১২টার দিকেও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা হয়েছে। থানা, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড ও মৎস্যজীবী সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। সমুদ্র উত্তাল এবং স্থানীয় সক্ষমতায় উদ্ধার অভিযান ঝুঁকিপূর্ণ।

রাঙ্গাবালী উপজেলার কোড়ালিয়া মৎস্য সমিতির সভাপতি জহির হাওলাদার বলেন, জেলেদের ট্রলারটি আবহাওয়া খারাপ থাকায় অন্য ট্রলার পাঠিয়ে তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ঝুঁকি নিয়ে কোনো ট্রলার পাঠানোও যাচ্ছে না।

রাঙ্গাবালী থানার ওসি ইলিয়াছ হোসেন মুন্সি বলেন, ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পাওয়ার পর কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় লজিস্টিক না থাকায় তারা এখনো উদ্ধার অভিযান চালাতে পারেনি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

রাঙ্গাবালী নৌপুলিশের ইনচার্জ মোহাম্মদ যায়েদ বলেন, ট্রলারটি তাদের দায়িত্ব এলাকার বাইরে সাগরে থাকায় নৌপুলিশের বোট দিয়ে সেখানে অভিযান চালানোর সুযোগ নেই। তারা নদীতে দায়িত্ব পালন করেন। বিষয়টি কোস্টগার্ড ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।

ট্রলার মালিক হানিফ মাঝি বলেন, ‘আমরা এখনো সাগরে ভাসছি। সাগর অনেক উত্তাল। প্রচণ্ড বাতাসের মধ্যে পাঁচ দিন ধরে এ অবস্থায় আছি।’