1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. চাকরি
  7. জাতীয়
  8. জীবনযাপন
  9. পুঁজিবাজার
  10. ফিচার
  11. বাণিজ্য
  12. বাংলাদেশ
  13. বিনোদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তাহসিফের পরিচয় শনাক্ত হয় মুঠোফোনের মাধ্যমে

dokhinersomoy
October 29, 2026 1:16 pm
Link Copied!

দখিনের সময় রিপোর্ট:
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার কে এম তাহসিফ সাউরির (২৮) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি হিসেবে। তাঁর সঙ্গে থাকা মুঠোফোনের মাধ্যমে পরে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নৌ পুলিশের অভ্যন্তরীণ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। নিখোঁজের এক দিন পর গতকাল বুধবার বিকেলে ঢাকার তুরাগ নদ থেকে তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। তিনি অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট ছিলেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইল নৌ পুলিশের ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, অজ্ঞাতনামা হিসেবে তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার করেছিল। মরদেহের সঙ্গে একটি মুঠোফোন ছিল। এই মুঠোফোনের মাধ্যমে তাঁর পরিচয় জানা যায়। নৌ পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, তাঁরা জানতে পেরেছেন, তাহসিফ গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার পর কয়েকজনের সঙ্গে বাসা থেকে বের হয়েছিল। তিনি আর বাসায় ফেরেননি। পরিবারও তাঁর খোঁজ পাচ্ছিল না। মরদেহ উদ্ধারের বিষয়ে নৌ পুলিশের অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল বিকেল সাড়ে চারটার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে খবর পাওয়া যায় যে রাজধানীর উত্তরখান থানা এলাকার রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদে একটি মরদেহ ভাসছে। এ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান নৌ পুলিশের সদস্যরা। তাঁরা অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তির (পুরুষ) মরদেহ উদ্ধার করেন। তাঁর বয়স অনুমানিক ২৮ বছর।
নৌ পুলিশের অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তারা মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। যাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়, তাঁর পরনে ছিল সাদা পাজামা ও কালো জামা। হাতে ঘড়ি। তাঁর পকেটে আইফোন পাওয়া যায়। এই আইফোনের মাধ্যমে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা হয়। ঘটনার বিষয়ে নৌ পুলিশের ঢাকা অঞ্চলের টঙ্গী ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তাঁর শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে বলা যাবে। এদিকে নৌ পুলিশের তথ্যমতে, তাহসিফ সপরিবার উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন। বাবার নাম কে এম এনায়েতুর হেলাল। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার মো. রেজাউল করিম বলেন, তাঁর বাবার সঙ্গে তাঁরা যোগাযোগ করেছেন। তিনি বলেছেন, নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে থানায় অভিযোগ দেবেন।