• ৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউএনও’র কান্ড, ক্ষতিপূরণের জন্য আটকে রাখলেন নছিমন চালককে

দখিনের সময়
প্রকাশিত মে ৭, ২০২১, ১৯:৩১ অপরাহ্ণ
ইউএনও’র কান্ড, ক্ষতিপূরণের জন্য আটকে রাখলেন নছিমন চালককে

স্টাফ রিপোর্টার:

ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে চারদিন ধরে এক নছিমন চালককে আটকে রাখা হয়েছে। ইউএনওর গাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ করার দায়ে এবং ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য তাকে আটকে রাখা হয় বলে স্বীকার করেছেন ইউএনও রুহুল আমিন। তবে তিনি বলেন, চার দিন নয় সর্বমোট আড়াই দিন আটকে রাখতে পারি।

ইউএনও রুহুল আমিন বলেন, এ ছাড়া আমার কিছু করার ছিল না। দুর্ঘটনায় আমার ব্যবহৃত গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ গাড়িটি আসলে কে মেরামত করবে? একজন ইউএনও কতটাকা বেতন পায় বলুন? পাল্টা প্রশ্ন করে রুহুল আমিন বলেন, আমি চাইলে ওইদিন নছিমন চালককে কারাদন্ড দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করতে পারতাম। কিন্তু মানবিক দিক বিবেচনা করে অফিসে এনে আটকে রেখেছি।

ইউএনও রুহুল আমিন বলেন, নছিমন চালককে আটক করে চরফ্যাশন থানায় সোপর্দ করা হয়। তারপর বিবেচনা করে দেখলাম তাতেতো ক্ষতিপূরণ উঠবে না। এরপর আমার অফিসে নিয়ে আসি। এখানে আটকে রেখে ক্ষতিপূরন আদায় করতে চাই। আমি ওর মা-বাবাকে খবর দেওয়ার জন্য বলেছি। কিন্তু ওর মা-বাবা আসেনি। এখন আমি কি করবো? আমি চেয়েছিলাম যে ক্ষতিপূরণ নিয়ে ওর মা-বাবা আসবে তা আমি তাদেরকেই ফেরত দিব। কিন্তু তার আগেই সাংবাদিকরা এসে সব গোলমাল পাকিয়ে ফেলেছে। তাছাড়া নছিমন চালক একটা নেশাখোর। এজন্য ওর মা-বাবা ওকে নিতে আসে না।

জানা গেছে, রোববার (৩ মে) ভোলা সদর উপজেলার বাংলাবাজার এলাকায় থেকে যাচ্ছিলেন চরফ্যাশন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুর আমিন। এসময়ে ইউএনওর গাড়ি অতিক্রমকালে সদর উপজেলার বাসিন্দা নছিমন চালক আরিফের নছিমনের সাথে ইউএনওর গাড়ির ধাক্কা লাগে। দুর্ঘটনার পর নছিমন চালককে আটক করা হয়।