• ৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাতি-নাতনি প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে নিখোঁজ, মিতুর বাবার অভিযোগ

দখিনের সময়
প্রকাশিত মে ১৬, ২০২১, ২১:৪৭ অপরাহ্ণ
নাতি-নাতনি প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে নিখোঁজ, মিতুর বাবার অভিযোগ

দখিনের সময় ডেক্স:

চট্টগ্রামে চাঞ্চল্যকর মাহমুদা খানম মিতু হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে আবারও দেশ জুড়ে আলোচনা চলছে। হত্যা মামলায় ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন মিতুর স্বামী সাবেক এসপি বাবুল আক্তার। গণমাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে বাবুলের পরকীয়া, কল রেকর্ডসহ বিভিন্ন আলামত। তবে বাবুল-মিতু দম্পতির সন্তানদের খোঁজ খবর নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। গত সাড়ে ৩ বছর ধরে বাবুল-মিতুর ২ সন্তান কোথায় আছে, সে খবর জানেন না মিতুর মা-বাবা।

বাবুল-মিতু দম্পতির এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ছেলে মাহির আক্তার, তার বর্তমান বয়স ১২ বছর। মেয়ে নিখাদ আক্তার তাবাসুম, তার বর্তমান বয়স ৯ বছর। এ বিষয়ে মিতুর বাবা মোশারফ হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, তিন বছর ধরে নাতি-নাতনিদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে পারেননি তারা। সর্বশেষ ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে কথা হয়েছিল। বাবুল আক্তার ঢাকার মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের (ব্লক: সি, বাড়ি নম্বর: ২২, লেভেল: ৭) যে ঠিকানা দিয়েছিল, সেই ঠিকানা ভুল ছিল।

মোশারফ হোসেন আরও জানান, বাবুলের আগের বাসার ঠিকানায় আমি ও আমার স্ত্রী নাতি-নাতনিদের খোঁজ খবর নিতে গেলে বাবুলের বাসার দারোয়ান আমাদের ঢুকতে দিতো না। এমনকি আমরা গেলে বাবুলের লোকজনরা আমাদের হেনস্থা করতো। আমরা নাতি-নাতনিদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। আমাদের নাতি-নাতনিদের বর্তমানে কোথায় আছে, কার কাছে আছে তা জানতে অনেক মাধ্যমেই চেষ্টা করেছি। সর্বশেষ বাবুলের ভাই সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ড. শাহাবুল সঙ্গে কথা বলেছি। তিনিও বাবুলের বর্তমান ঠিকানা দেননি। বাবুল-মিতুর সন্তানরা কোথায় আছে তা তিনি জানেন না বলে আমাদের জানান।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরের জিইসি মোড়ে সাত বছরের ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় খুন হন মিতু। এ সময় ছেলেকে ধরে রেখেছিল বাবুল আক্তারের সোর্স কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুসা, যাকে সিসিটিভির ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা হয়েছে। ওই হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে ছেলে মাহিরের বক্তব্য নেওয়া হবে বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার চাকমা। তিনি বলেন, বাবুল আক্তার এখন পুলিশ হেফাজতে আছেন। রিমান্ড শেষে পিবিআই তার ছেলের সঙ্গে কথা বলবে।