২১শে অগাস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে বিচারিক আদালতের দেয়া রায়কে অবৈধ ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। সেই সাথে মামলার সব আসামিদের মুক্তি দেয়া হয়েছে। ডেথ রেফারেন্স নাকচ এবং আসামিদের আপিল মন্জুর করে হাইকোর্ট এই রায় ঘোষণা করে। সম্পূরক অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে করা বিচারিক আদালতের বিচারকে বাতিল ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট।
ফলে লুৎফুজ্জামান বাবর, আবদুস সালাম পিন্টুসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া তারেক রহমানসহ এবং বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামিদের খালাস পেয়েছেন। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ের পরে তারেক রহমানের আইনজীবী ও বিএনপির আইন সম্পাদক বলেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে তারেক রহমানকে এ সাজা দেয়া হয়েছিল। এই মামলায় আওয়ামী লীগের সময়ে যারা রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী হিসাবে কাজ করেছেন, চেষ্টা করেও তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেনি বিবিসি। কয়েকজনের সেলফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
সকাল এগারটায় এ মামলার রায় ঘোষণা শুরু হয়। রায় ঘোষণা উপলক্ষে এজলাসে বিএনপিপন্থী জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। তবে আওয়ামী লীগের পক্ষের কোন আইনজীবী বা যারা অতীতে রাষ্ট্রপক্ষে কাজ করেছেন,এমন কোন আইনজীবী আদালতে ছিলেন না। রায়ে আদালত বলেছে, এ মামলায় বিচারিক আদালত দোষীদের দুর্বল ও শোনা সাক্ষীর উপর ভিত্তি করে রায় দিয়েছেন। সাক্ষীরা ঘটনার বর্ণনা করেছেন কিন্তু কে গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছেন তা কোন সাক্ষী বলেন নি।