1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. খেলাধুলা
  6. চাকরি
  7. জাতীয়
  8. জীবনযাপন
  9. পুঁজিবাজার
  10. ফিচার
  11. বাণিজ্য
  12. বাংলাদেশ
  13. বিনোদন
  14. বিশ্ব
  15. ভিডিও
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিএনপিনেতার নববধূ পালিয়েছে ড্রাইভারে সঙ্গে

dokhinersomoy
October 25, 2026 11:41 am
Link Copied!

দখিনের সময় রিপোর্ট:
বিয়ের ২০ দিনের মাথায় বিএনপিনেতা সুজন মিয়ার নববিবাহিত স্ত্রী সুমি আক্তার পৌরসভার বর্জ্যবাহী গাড়িচালক এমদাদুল হক অরচন মিয়ার (৪৫) সঙ্গে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় প্রতারণা ও স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেন বিএনপিনেতা সুজন মিয়া। এরপর পুলিশ অভিযান চালিয়ে সুমি ও এমদাদুল হক অরচন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। আদালতের নির্দেশে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে, জামালপুর পৌর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে অরচনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সুমিকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযুক্ত অরচন মিয়া (৪৫) মেলান্দহ উপজেলার শাহজাদপুর এলাকার এবং সুমি আক্তার (২৭) একই উপজেলার কামদেববাড়ী এলাকার বাসিন্দা। আর ভুক্তভোগী সুজন মিয়া ঝাউগড়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। পুলিশ জানায়, গত ১ অক্টোবর সুমি আক্তারের সঙ্গে রেজিস্ট্রি কাবিনমূলে বিয়ে হয় সুজন মিয়ার। বিয়ের সময় স্ত্রীকে দুটি স্বর্ণের আংটি, একটি চেইন, এক জোড়া বালা ও এক জোড়া কানের দুলসহ বিভিন্ন স্বর্ণালংকার দেন তিনি। এসব অলংকারের আনুমানিক মূল্য প্রায় সাত লাখ টাকা।
সুজন মামলায় অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই সুমির পাতানো মামা অরচন তাকে বিভিন্নভাবে প্ররোচিত করে আসছিলেন। গত ২০ অক্টোবর সন্ধ্যায় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। এ সুযোগে তাদের বাড়িতে যান অরচন। এ সময় সুমিকে তার বাবার বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন তিনি। সুজনের মা ছেলে সুজন বাড়ি ফেরার পর সুমিকে যেতে বললেও তিনি অরচনের সঙ্গে চলে যান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। এরপর থেকেই স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না সুজন। ওই রাতে সুমির মুঠোফোনে কল দিলে সেটি বন্ধ পান তিনি। পরের দিন ছোট ভাইয়ের স্ত্রী ও ভাতিজাকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠান, সেখানে সুমিকে পাওয়া যায়নি। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে অরচনের সঙ্গে তার চলে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন বলে দাবি করেন সুজন।
সুজন মিয়া বলেন, বিয়ের ২০ দিনের মাথায় সে আমার সঙ্গে এমনটা করবে, তা কল্পনাও করিনি। কত আশা নিয়ে তাকে ঘরে এনেছিলাম। এত অল্প সময়ের মধ্যে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে, কখনো ভাবিনি।
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম মাহমুদুল হক বলেন, এ ঘটনায় করা মামলায় এমদাদুল হক অরচন ও সুমি আক্তারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে নেওয়া হয়। এরপর আদালতের আদেশে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।