• ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সারা বিশ্বে এগিয়ে রয়েছে নারী নেতৃত্বাধীন দেশশুলো

দখিনের সময়
প্রকাশিত মার্চ ৮, ২০২১, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ণ
সারা বিশ্বে এগিয়ে রয়েছে নারী নেতৃত্বাধীন দেশশুলো

স্টাফ রিপোর্ার:

সারা বিশ্বেই হাজারো অসংগতির মধ্যেও পুরুষের পাশাপাশি সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা রেখে চলেছেন নারীরা। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। বরং বাংলাদেশ আজ নারী নেতৃত্বের রোল মডেল। সারা বিশ্বেই এগিয়ে রয়েছে নারী নেতৃত্বাধীন দেশশুলো। ৮ মার্চ, আন্তর্জাতিক নারী দিবস।

জার্মানি, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও তাইওয়ানের মতো দেশগুলো করোনা মোকাবিলায় যে সফলতা দেখিয়েছে, তা বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। মহামারি মোকাবিলায় এই সফল নারী নেত্রীদের নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ফোর্বস ম্যাগাজিন। এই উপলব্ধি থেকে একটি নতুন ভবিষ্যত্ সৃষ্টির প্রত্যাশায় সারা দেশে তৃণমূল পর্যায় থেকে নারী নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন নারী নেত্রীরা। তারা বলেছেন, নেতৃত্বের গুণে এগিয়ে যায় সমাজ।

সৎ ও দক্ষ নেতৃত্বের গুণে কুসংস্কার ও সামাজিক অনাচারকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে পারে রাষ্ট্র। আর নেতৃত্ব বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে পরিবার, সমাজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। সমাজে যিনি নেতৃত্ব দেবেন, তার প্রভাবিত করার ক্ষমতা থাকতে হবে। তাকে বুদ্ধিমান, আত্মবিশ্বাসী, মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন হতে হবে। দেশে-বিদেশে এই নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিয়ে এ বছর উদ্যাপিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২১।

৮ মার্চ, আন্তর্জাতিক নারী দিবস। আন্তর্জাতিকভাবে এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য হয়েছে—‘নারী নেতৃত্বের বিকাশ :সমতাপূর্ণ ভবিষ্যত্ গড়ার অঙ্গীকার’। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও দিনটি উদ্যাপন করা হবে। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ মানবাধিকার ও নারী সংগঠনগুলো দিবসটি উদ্যাপনের নানা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। আন্তর্জাতিক প্রতিপাদ্যের সঙ্গে মিল রেখে দেশে এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে—‘করোনাকালে নারী নেতৃত্ব গড়বে নতুন সমতার বিশ্ব’।

প্রসঙ্গত, ১৮৫৭ সালের ৮ মার্চ নিউ ইয়র্কের সেলাই কারখানায় ঝুঁকিপূর্ণ ও অমানবিক কর্মপরিবেশ, স্বল্প মজুরি এবং দৈনিক ১২ ঘণ্টা শ্রমের বিরুদ্ধে নারী শ্রমিকেরা প্রতিবাদ করেন। ১৯১০ সালে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সমাজতান্ত্রিক নারী সম্মেলনে জার্মান সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা ক্লারা জেটকিনের প্রস্তাবে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস ঘোষণা করা হয়। জাতিসংঘ ১৯৭৫ সাল থেকে এই দিনটিকে ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ হিসেবে পালন শুরু করে। তখন থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি উদ্যাপন হয়ে আসছে।