• ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১০ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাবেক প্রতিমন্ত্রী – পুলিশ কমিশনার-ডিসির বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ

দখিনের সময়
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১৫:২২ অপরাহ্ণ
সাবেক প্রতিমন্ত্রী – পুলিশ কমিশনার-ডিসির বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ
সংবাদটি শেয়ার করুন...

দখিনের সময় ডেস্ক:

বরিশালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারনার সময় বিএনপির প্রার্থীর সামনে থেকে তার কর্মীকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগে মামলা রুজুর আদেশ দিয়েছে আদালত। মামলায় সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী, পুলিশ কমিশনার, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বরিশাল জেলা প্রশাসকসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করেছেন বাদী।

বরিশাল জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মশিউল আলম খান পলাশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে র‌বিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) মুখ্য মহানগর হাকিম মো. জহির উদ্দিন এ আদেশ দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আব্দুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় আসামিরা হলেন-সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল-৫ আসনের একাদশ সংসদ নির্বাচনের মহাজোট মনোনীত প্রার্থী জাহিদ ফারুক শামীম, বরিশাল মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার মো. রুহুল আমিন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বরিশালের জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন ভুইয়া, বরিশাল মহানগর পুলিশের বন্দর থানার ওসি মোস্তফা কামাল হায়দার, পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ মো. ফয়সাল আহম্মেদ, এসআই আব্দুল মালেক, এএসআই সহিদুল ইসলাম, এএসআই রাসেল মিয়া, এএসআই এরফান হোসেন মিদুল, এএসআই রফিকুল ইসলাম, এএসআই মোহাম্মদ মিলন বিশ্বাস, এএসআই মেহেদী হাসান মোল্লা ও কনষ্টবল ফয়জুল।

মামলার বাদী মো. মশিউল আলম খান পলাশ বরিশাল জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

আবেদনে বাদী পলাশ উল্লেখ করেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার প্রচারে যেতে পারেননি। সেসময় প্রার্থীর সার্বক্ষণিক কার্যক্রমে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন। একদিন সদর উপজেলার চন্দ্রমোহন এলাকায় প্রচারপত্র বিতরণে যাওয়ার পথে তিন দিক থেকে স্পিডবোটে ধাওয়া করা হয়।একপর্যায়ে বিশ্বাসেরহাট এলাকায় পৌছলে নদীর ভিতর থেকে প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের সামনে থেকে সাদা পোষাকের পুলিশ তাকে জোরপূর্বক অপহরন করে। পরে চোখ বেঁধে একটি অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে তাকে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়।

তিনি আরও বলেন, আমাকে অপহরনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় অপহরনকারী সাদা পোষাকের পুলিশ আমাকে সেদিন মেরে ফেলতে পারেনি।এরপর বন্দর থানায় নিয়ে আমাকে ২/৩টি মিথ্যা মামলায় আসামি করা হয়।

পলাশ অভিযোগ করেন, তারা এমন নির্যাতন করলো যে এখনো মাঝে মাঝে আমার ব্যাক পেইন হয়।

আদালতের নির্দেশে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানাকে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।