• ৪ঠা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ঘাটে উপচেপড়া ভিড়, নেই স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই

দখিনের সময়
প্রকাশিত মে ৭, ২০২১, ১৮:১৭ অপরাহ্ণ
শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ঘাটে উপচেপড়া ভিড়, নেই স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই

দখিনের সময় ডেক্স:

আর কয়েক দিন পরই ঈদ। ঈদ সামনে রেখে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ও  শিবচরের বাংলাবাজার নৌপথে দক্ষিণাঞ্চলমুখী যাত্রী ও যানবাহনের প্রচণ্ড চাপ। ফেরিতে যাত্রীদের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে ঘাট কর্তৃপক্ষ। এদিকে স্বাস্থ্যবিধি ছাড়াই ফেরিতে করে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। এতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি আরও মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শিমুলিয়া ফেরিঘাট ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ শুক্রবার (৭মে) সকাল থেকেই ঘাটে যাত্রীদের ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ঘাটে ধীরে ধীরে মানুষের চাপ বাড়তে থাকে। এই নৌপথে দক্ষিণ অঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ যাতায়াত করছে। আজ সকালে ঘাটে যানবাহনের চাপ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। বেলা ১১টা নাগাদ ঘাটে যানবাহন ও মানুষের জটলা বেঁধে যায়। শিমুলিয়া ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় আছে আট শতাধিক যানবাহন। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে চলাচলে বিধিনিষেধ থাকলেও মানুষের মধ্যে তেমন সতর্কতা নেই।

প্রতিটি ফেরিতে ঢাকা থেকে আসা যাত্রীদের ভিড় দেখা যায়। গায়ে গা ঘেঁষে, কেউ মাস্ক পরে, আবার কেউ মাস্ক ছাড়া পদ্মা পার হওয়ার জন্য ফেরিঘাটে অপেক্ষা করছেন। সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা লক্ষ করা যায়নি।

শিমুলিয়া ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সাফায়াত আহম্মেদ বলেন, ঈদ সামনে রেখে ঘাটে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ প্রচণ্ড। যাত্রীদের কারণে ফেরিগুলোতে গাড়ি লোড করা যাচ্ছে না। ফেরি ঘাটে এলেই যাত্রীরা তাতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। ১৩টি ফেরিতে যাত্রী ও যানবাহন পার হচ্ছে। অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে খেতে হচ্ছে হিমশিম। মানুষের মধ্যে করোনা নিয়ে কোনো ভাবনা নেই। এত বলাবলি করেও যাত্রীদের সচেতন করা যাচ্ছে না।