দখিনের সময় ডেস্ক:
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে আট দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। মঙ্গলবার (২০ মে) গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত যৌথ সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি জানান দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ২৫ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত কর্মসূচিগুলো চলবে। ভার্চুয়ালি সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংককে চিকিৎসাধীন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে দুঃস্থদের মধ্যে চাল-ডাল বিতরণ, আলোচনা সভা, বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ ও শেরেবাংলা নগরে জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানানো।
রিজভী জানান, ঈদুল আজহা সামনে থাকায় এবার কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ৩০ মে সকালে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা শেরেবাংলা নগরে শহীদ জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানাবেন। একইদিন মসজিদে মসজিদে গণদোয়া অনুষ্ঠিত হবে। ২৯ মে বিকেলে রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। এছাড়া দুদিন ধরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের সব কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত এবং কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে। দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো পোস্টার প্রকাশ এবং জাতীয় দৈনিকগুলোতে বিশেষ ক্রোড়পত্র ছাপাবে।
জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় উঠে আসেন। প্রথমে উপ-প্রধান সামরিক প্রশাসক, পরে প্রধান সামরিক প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৮ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে একদল সেনা সদস্যের গুলিতে নিহত হন রাষ্ট্রপতি জিয়া। বিএনপি দিনটিকে ‘শাহাদাৎ দিবস’ হিসেবে পালন করে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি সারাদেশে জেলা, উপজেলা, থানা ও পৌর ইউনিটগুলোও পৃথকভাবে আলোচনা সভা ও দুঃস্থদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করবে।