• ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘বিকল্প’ পেঁয়াজের কী হবে?

দখিনের সময়
প্রকাশিত জানুয়ারি ৩, ২০২১, ২২:৫৫ অপরাহ্ণ
‘বিকল্প’ পেঁয়াজের কী হবে?

দখিনের সময় ডেস্ক ॥

সাড়ে তিন মাস বন্ধ থাকার পর ভারত থেকে পেঁয়াজের আমদানি ফের শুরু হয়েছে। গত শনিবার দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজবোঝাই ভারতীয় ট্রাকের প্রথম চালান দেশে ঢোকে। গত ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত সরকার অভ্যন্তরীণ বাজারে সংকট এবং দাম বাড়ার অজুহাত দেখিয়ে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেছিল।

এদিকে ভারত রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে দেওয়ার পর এখন পেঁয়াজ দেশে ঢুকতে থাকায় চট্টগ্রামের আমদানিকারকদের মাথায় যেন বাজ পড়েছে। এ অবস্থায় এসব পেঁয়াজ চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ছাড় নেওয়া নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
জানা যায়, ভারতের বদলে বিকল্প দেশ থেকে আনা প্রায় ২৩ হাজার টন পেঁয়াজ পড়ে আছে চট্টগ্রাম বন্দরে। টাকার অঙ্কে এই পেঁয়াজের কেনা দাম ৮৩ কোটি টাকা। দেশের পাইকারি বাজারে দামে ধস নামায় আমদানিকারকরা এসব পেঁয়াজ বন্দর থেকে ছাড় নিচ্ছিলেন ধীরগতিতে। এ কারণে এক মাস ধরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কনটেইনারে পড়ে আছে এই পেঁয়াজ।

গতকাল বিকেলে ভারত থেকে হিলি চেকপোস্ট দিয়ে পেঁয়াজবোঝাই ভারতীয় ট্রাকগুলো স্থলবন্দরে প্রবেশ করতে শুরু করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ হারুন। সেখানকার পেঁয়াজ আমদানিকারক মাহফুজার রহমান বাবু বলেন, ‘আজ (শনিবার) আমার এক ট্রাক (১৯ টন) পেঁয়াজ ভারত থেকে এসেছে। দেশের বাজারে তা ২৩ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করব।’

জানা যায়, গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত হঠাৎ পেঁয়াজে রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা দিলে বিপাকে পড়েন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। পরদিন থেকেই বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। দর নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঋণ সুবিধা, শুল্ক কমানোসহ বড় শিল্প গ্রুপগুলোকে দিয়ে পেঁয়াজ আনানোর উদ্যোগ নেয় সরকার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র নেন ব্যবসায়ীরা।