• ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টানা বন্ধে অস্থির হয়ে উঠছে শিক্ষার্থীরা, আর্থিক সংকটে অনেক প্রতিষ্ঠান

দখিনের সময়
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১, ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ণ
টানা বন্ধে অস্থির হয়ে উঠছে  শিক্ষার্থীরা, আর্থিক সংকটে অনেক প্রতিষ্ঠান

বিশেষ প্রতিনিধি:

করোনার কারণে টানা বন্ধে শিক্ষার অপূরনীয় ক্ষতির পাশাপাশি অস্থির হয়ে উঠছে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। বেসরকারি অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অর্থাভাবে বন্ধের উপক্রম। কিন্তু সময় যত যাচ্ছে, শিক্ষার্থীদের ধৈর্যচ্যুতিও ততই বাড়ছে, বিশেষ করে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে প্রায় এক বছর ধরে বন্ধ আছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ক্লাস-পরীক্ষার বাইরে থেকে থেকে হাঁপিয়ে উঠেছে। তাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে এক ধরনের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। এর ফলে ঘটছে ধৈর্যচ্যুতি। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের সেশনজট বাড়ছে। এটিও তাদের ধৈর্যচুত্যির কারণ। এদিকে,করোনা সংক্রমণের কারণে বন্ধ থাকা কিন্ডারগার্টেন, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ সব ধরনের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পড়েছে আর্থিক সংকটে। নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়ে গেলেও শিক্ষার্থী-সংকটে শিক্ষকদের বেতন দিতে পারছেন না।

সম্প্রতি দেশের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক হল খুলে দেওয়া এবং ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার দাবিতে চলছে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। শুরু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা নিজেরাই তালা ভেঙে হলে প্রবেশ করে সেখানে অবস্থান শুরু করেন। দ্রুতই এমন আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে ঢাকা বিশ্ববদ্যিালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ অনেক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। এমন পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞরা শিক্ষার্থীসহ সবাইকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। তারা বলছেন, সংক্রমণের হার আরও হ্রাস পাওয়া পর্যন্ত ধৈর্যধারণ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মনে রাখতে হবে, সবার আগে জীবন।

উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তীব্র আন্দোলনের মুখে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, ঈদুল ফিতরের পর আগামী ২৪ মে খুলবে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়। এর এক সপ্তাহ আগে ১৭ মে খুলে দেওয়া হবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আবাসিক হল।