• ৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিজ্ঞা করতে হবে যাকে মনোনয়ন দিব তাকেই জয়ী করবেন: প্রধানমন্ত্রী

দখিনের সময়
প্রকাশিত আগস্ট ৬, ২০২৩, ২২:৩৮ অপরাহ্ণ
প্রতিজ্ঞা করতে হবে যাকে মনোনয়ন দিব তাকেই জয়ী করবেন: প্রধানমন্ত্রী
দখিনের সময় ডেস্ক:
আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা যাকেই মনোনয়ন দিই, ভালো-মন্দ, কানা-খোঁড়া যাই হোক, আপনাদের প্রতিজ্ঞা করতে হবে তাকেই জয়ী করবেন।’ বিশেষ সভায় অংশ নেওয়া একাধিক নেতা গণমাধ্যমকে প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রোববার (৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার পর ‘শত সংগ্রামে অজস্র গৌরবে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে’ শীর্ষক আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ৯টা থেকে তৃণমূলের নেতা ও জনপ্রতিনিধিরা গণভবনে প্রবেশ শুরু করেন। সকাল সাড়ে ১০টার কিছু পরে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা মঞ্চে আসেন। সভার শুরুতে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সভা সঞ্চালনা করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ। দলের নেতাদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সূচনা বক্তব্য রাখার পর তৃণমূলের নেতাদের কথা শোনেন কেন্দ্রীয় নেতারা। আট বিভাগের প্রতিটি থেকে একাধিক জেলা ও উপজেলার নেতারা বক্তব্য দেওয়া সুযোগ পান। পরে সভার সমাপনী বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা।
তৃণমূলের নেতাদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘মনোনয়ন যাকেই দিই। আমি কিন্তু ঘরে বসে থাকি না, সারাদিন কাজ করি, সংগঠনের কাজও করি। কোথায় কার কী অবস্থা সেটা কিন্তু ছয় মাস পরপর জরিপ করি। আমাদের এমপিদের কী অবস্থা, অন্য জনপ্রতিনিধিদের কী অবস্থা তার একটা হিসাব নেওয়ার চেষ্টা করি। জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এর ওপর নির্ভর করছে আমাদের ক্ষমতায় যাওয়া বা না যাওয়া। সে কথাটা মাথায় রেখে, আমাদের উপরে ভরসা রাখতে হবে। আমরা যখন মনোনয়ন দেব, অবশ্যই আমাদের একটা হিসাব থাকবে যে কাকে দিলে আমরা আসনটা পাব।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘অনেক এসএমএস দিলে, গিবত গাইলেই আমি তাদের কথা শুনব, এমন নয়। এটা আমি স্পষ্ট বলে দিচ্ছি। কারণ, আমার নিজের হিসাব-নিকাশ আছে। ৪২ বছর আপনাদের সঙ্গে আছি। ১৯৮১ সালে সভাপতি নির্বাচিত করেছেন। এরপর কিন্তু আমি প্রতিটি এলাকা ঘুরে ঘুরে দেখেছি। ফলে আমার কিন্তু ধারণা আছে। কার অবস্থা কী সেটা বুঝেই কিন্তু আমরা মনোনয়ন দিই।’
বিশেষ বর্ধিত সভায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, জেলা ও মহানগর, উপজেলা, থানা, পৌর (জেলা সদরে অবস্থিত পৌরসভা) আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় সংসদের দলীয় সদস্য, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের দলীয় চেয়ারম্যান, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার দলীয় মেয়র এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত রয়েছেন। সারাদেশ থেকে প্রায় তিন হাজার নেতা ও জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।