বরিশার নগরীর কেন্দ্রস্থলে চলে নারী ব্যবসা, ফেলা হয় চাকুরির প্রলোভনের ফাঁদে
দখিনের সময়
প্রকাশিত আগস্ট ৩, ২০২০, ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ
সংবাদটি শেয়ার করুন...
স্টাফ রিপোর্টার:
বরিশার নগরীর কেন্দ্র স্থল, নগর ভবনের পিছেনে এবং জেলা পরিষদ ভবনের সন্নিকটে- কেউ কি ধারনা করবে, এখানে দিনের পর দিন নারী ব্যবসা চলে? সাধারণ ভাবে এমন ধারনা করার উপায় নেই। কিন্তু এমনটাই ঘটেছে। এবং বিএমপি’র গোয়েন্দা শাখার অভিযানে খদ্দের ও কর্মচারীসহ ছয় জর গ্রেফতার করা হযেছে এবং উদ্ধার করা হয়েছে তিন অসহায় নারীকে।
সবাই জানে, নেতার ভবন, তাও আবার ক্ষমতাসীন দলের ওর্য়াড সাধারণ সম্পাদকের। এ ভবনের সমানে রয়েছ “ব্রাইট সুজ” নামে জুতার শো রুম। কিন্তু একটু ভিতরে গেলেই রমরমা নারী ব্যবসা কেন্দ্র। আগে এ কেন্দ্রর নাম ছিলো পাতার হাট হোটেল। পরে নাম পাল্টে হয়েছে পায়েল। এখানে চাকুরীর ফাঁদ পেতে নতুন নতুন মেয়ে সংগ্রহ করা হতো। এরপর তাদেরকে দেহদানে বাধ্য করা হয়েছে দিনের পর দিন। বহু দিন চলে আসা এ অপকর্মের বিষয়টি ঘুনাক্ষরেও টেরপায়নি সাধারণ মানুষ। কিন্তু গোপনে জানতে পেরেছে বরিশাল মেট্রোপলিটার পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। এ খবরের ভিত্তিতেই গোয়েন্দারা অভিযান চালায় ২ আগস্ট রাতে।
কয়েকজন নারীকে চাকুরীর প্রলোভনে জিম্মি করে দেহব্যবসায় বাধ্য করছিলো হোটেল ব্যবসায়ী কবির হোসেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সফল অভিযান চালায় বরিশাল মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ । সূত্রমতে গ্রেফতারকৃত ছাড়াও ভবন মালিক, ম্যানেজারসহ কয়েঢকজনকে আসামী করে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এর ১২(২)/১৩ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
হোটেল মালিক (ভাড়াটিয় চুক্তি অনুযায়ী) তিনজন এবং ভবন মালিক আক্তারুজ্জামনসহ সংস্লিষ্টদের আসামী করে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন ডিবির এসআই দেলোয়ার হোসেন। বিএমপি ডিবির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ রেজাউল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উল্রেখ্য, সম্প্রতি বিএমপি পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম বার-এর সরাসরি নির্দেশনায় গোয়েন্দা বিভাগ গত মাস থেকে হোটেলের অসামাজিক কার্যক্রম সমূলে বিনাশ করার নতুন মিশন শুরু করে।