একজন মুমিন তার জীবনের লক্ষ্য আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে জান্নাত অর্জন করা। জান্নাতে চিরস্থায়ী আবাস বানানো। দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী ঘরবাড়ি, আনন্দ সব একদিন বিলীন হয়ে যাবে। কিন্তু জান্নাতের বাড়ি কখনো বিলীন হবে না।
ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়া (আ.) নির্যাতনের যাঁতাকলে অতিষ্ঠ হয়ে আল্লাহর কাছে জান্নাতে ঘর তৈরির দোয়া করেছিলেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘ফিরাউনের স্ত্রীর দৃষ্টান্ত, যখন সে এই বলে প্রার্থনা করেছিল—হে আমার রব, আপনার সন্নিধানে জান্নাতে আমার জন্য একটি ঘর নির্মাণ করুন। ’ (সুরা তাহরিম, আয়াত : ১১)
হাদিস শরিফে এমন কিছু আমলের কথা বর্ণিত হয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা জান্নাতে ঘর নির্মাণ করবেন। সেগুলোর মধ্যে ১২ রাকাত নামাজের বিবরণ তা হলো :
১. ফজরের ফরজের আগে ২ রাকাত।
২. জোহরের ফরজের আগে ৪ রাকাত এবং পরে ২ রাকাত।
৩. মাগরিবের ফরজের পরে ২ রাকাত।
৪. এশার ফরজের পরে ২ রাকাত।
সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, অল্প আমলেই জান্নাতের আবাস তৈরির সুযোগ গ্রহণ করা। হাদিসের ওপর যথাযথ আমল করা। জান্নাতে ঘর পাওয়ার সযোগ গ্রহণ করা।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সবাইকে উল্লেখিত ১২ রাকাত নামাজ নিয়মিত পড়ার তাওফিক দান করুন। হাদিসের ওপর আমল করে ঘোষিত ফজিলত পাওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।