• ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ২১শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

করিম চাচার কলা কাণ্ড

দখিনের সময়
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৩, ২০২৪, ০৯:১৫ পূর্বাহ্ণ
করিম চাচার কলা কাণ্ড
সংবাদটি শেয়ার করুন...
দখিনের সময় ডেস্ক:
ঢাকার ব্যস্ত বাজারে করিম চাচা, যিনি নিজেকে “বারগেনের বাদশা” বলে দাবি করেন, কলা কিনতে গিয়েছিলেন। এক তরুণ বিক্রেতা রফিকের দোকানে ঝকঝকে হলুদ কলার স্তূপ দেখে তিনি বললেন, “এক ডজন কত?” বুক বাঁধা অবস্থায় যেন কোনো দারুণ আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছেন। রফিক হেসে বলল, “একশো টাকা।” করিম চাচা নাটকীয় ভঙ্গিতে বুক চেপে ধরে বললেন, “এই কলাগুলোর সঙ্গে কি ফ্রি ওয়াই-ফাইও আসবে নাকি?!”
রফিক নির্বিকারভাবে উত্তর দিল, “চাচা, এই কলাগুলো এত মিষ্টি, আপনি খেলে রবীন্দ্রসংগীত গাইবেন।” কিন্তু করিম চাচা তো সহজে হার মানার পাত্র নন। তিনি বললেন, “মিষ্টি হোক আর টক হোক, আমি দিব পঞ্চাশ টাকা!” রফিক হেসে বলল, “পঞ্চাশ? চাচা, এটা তো আমার চা-বিস্কুটের দাম, কলার নয়।” আশপাশে লোক জড়ো হয়ে গেছে, সবাই এই বুদ্ধির লড়াই উপভোগ করছে। করিম চাচা একটু গোপন ভঙ্গিতে বললেন, “আমি একটা গোপন তথ্য দিব—ঢাকায় সেরা বিরিয়ানির জায়গা কোথায় পাওয়া যায়।” রফিক হেসে বলল, “সত্তর টাকা দেন, সঙ্গে ওই বিরিয়ানির তথ্যটাও দেন।”
করিম চাচা একটা চতুর হাসি দিয়ে টাকা দিয়ে কলা নিয়ে হাঁটা ধরলেন। রফিক চিৎকার করে বলল, “চাচা, ওই বিরিয়ানির জায়গা কোথায়?” করিম চাচা, মুখে একখানা কলা চিবোতে চিবোতে ঘুরে বললেন, “আমার বউয়ের রান্নাঘরে। বিরিয়ানি উনি বাড়িতেই রান্না করেন!” রফিক হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকল, আর আশপাশের লোকজন হেসে উঠল, সবাই চিৎকার করে বলতে লাগল, “করিম চাচা, বারগেনের বাদশা!”
গ্রন্থনা – ইলহাম জামান