• ২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যথার্থই বলেছেন পুলিশের আইজি

দখিনের সময়
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৫, ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ণ
যথার্থই বলেছেন পুলিশের আইজি
দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যেভাবে জটিল হয়েছে এবং আইন-শৃংখলা যেখানে গিয়ে ঠেকেছে তাতে জনগণের জানমাল রক্ষার জন্য নিয়োজিত পুলিশেরই জানমাল রক্ষার বিষয় নিয়েও গভীরভাবে ভাবা জরুরি। আর আইনকানুন মেরামত ও যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে হবে। নেতৃত্বে যোগ্য এবং দক্ষদের পদায়ন করতে হবে।
 ‘আমার লোক-তাহার লোক’ খোঁজার তালে থাকলে সুফল পাওয়ার আশা করা একধরনের ধোঁকাবাজি ভিন্ন কিছু নয়। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিয়ে, পুলিশের বস্ত্র হরণ অথবা নিরস্ত্রীকরণ, এমনকি নির্বীর্যকরণেও কোনো লাভ হবে না। মূল করণীয় হচ্ছে, ক্রমাগত রাজনৈতিক ব্যবহারে বিধ্বস্ত পুলিশকে প্রকৃত অর্থেই একটি বাহিনী হিসেবে দাঁড় করানো। আর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে আইনের, ব্যক্তি বা সরকারের নয়। এর অর্থ এই নয় যে, ১৯৭৭ সালে রহিত বিধান ফিরিয়ে এনে পুলিশের ওপর ডিসি-ইউএনওদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। জরুরি হচ্ছে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের ধারায় স্পষ্ট ইতি টেনে পুলিশকে একটি কার্যকর বাহিনীর অবস্থানে প্রতিষ্ঠা করা।
পুলিশের আইজি বাহারুল আলম ২২ ডিসেম্বর যথার্থই বলেছেন, ‘গত ১৫ বছরে রাজনৈতিক কুপ্রভাবে পুলিশ যেসব ঘটনা ঘটিয়েছে, তা পৃথিবীর কোনো পুলিশ করেনি। এমন কোনো অন্যায় নেই, যা আমরা করিনি। এসব কর্মকাণ্ড পুলিশকে মারাত্মকভাবে হেয় করেছে। পুলিশ এতটা নির্মম হতে পারে, তা চিন্তা করতেই লজ্জা হয়!’
এ লজ্জার ধারা থেকে পুলিশকে মুক্ত করতে হবে। এটা না করে বাংলা সিনেমার স্টাইলে পুলিশকে অবলা নারীজ্ঞান করে ‘লজ্জা হরণের’ কাণ্ড করতে চাইলে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। যেমন ঘোরতর বিপর্যয় অনিবার্য যদি কোনো কারণে ড. ইউনূসের নেতৃত্ব থেকে জাতি বঞ্চিত হয়!
# দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, শিরেনানাম, ‘পুলিশকে আইনের নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে’