বিশ্বের অধিকাংশ শক্তিশালী গণমাধ্যম মনে করছে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি আগামী নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পথে অনেকটা এগিয়ে গেছে। তার প্রত্যাবর্তন নিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি খুবই ইতিবাচক ও সুদূরপ্রসারী। ১৭ বছরের মামলা আর ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে এ রাজসিক প্রত্যাবর্তনকে পরিবর্তনের ‘প্রতীক’ হিসেবে দেখছে বিশ্বসম্প্রদায়।
এ আলোকে রয়টার্সের প্রতিবেদনে শিরোনাম করেছে—নির্বাচনের আগে নির্বাসন থেকে ফিরলেন বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির শিরোনাম—সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে পৌঁছেছেন, যা আগামী নির্বাচনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তারেক রহমানকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করে শিরোনাম করেছে—২০০৮ সাল থেকে লন্ডনে থাকা তারেক রহমানই হতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রনায়ক।
শুধু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম নয়, আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতেও তারেক রহমানের এ ফেরা সাধারণ স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নয়, বরং বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্রে ফেরার একটি বড় ধাপ। দেশের অভ্যন্তরেও একইরকমের পারসেপশন সৃষ্টি হয়েছে। এরপরও অসংখ্য ‘কিন্তু-যদি-তবে’ থেকেই যাচ্ছে। তাকে ঘিরে যেমন ‘লাইট অ্যাট দ্য এন্ড অব দ্য টানেল’ দেখা যাচ্ছে, তেমনই অন্ধকারে অনেক খেলাও কিন্তু আছে ভেতরে-বাইরে। রাজনীতির এটিই বাস্তবতা।
# লেখক: জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক
দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত, ৮/১/২০২৬। শিরোনাম, ‘বারুদের স্তূপ থেকে বেরিয়ে আসার পরীক্ষা’