দখিনের সময় ডেস্ক:
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার কারণ হিসেবে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং ভোটাধিকার হরণকে প্রধান হিসেবে তুলে ধরেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। সোমবার (১২ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ দেশের মানুষের অধিকারের ওপর চরমভাবে হস্তক্ষেপ করেছিল। তাদের নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত এসেছে জনগণের অভ্যুত্থানের ভিত্তিতে এবং সকল পক্ষের পরামর্শ নিয়ে।”
তিনি জানান, শেয়ারবাজার থেকে শুরু করে প্রশাসন—সব জায়গায় যে ‘লুটপাট সংস্কৃতি’ আওয়ামী লীগ চালু করেছিল, তা বন্ধ করতেই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। প্রেস সচিব বলেন, “এক ডাকাতকে সরিয়ে আরেক ডাকাত যেন না আসে, সেজন্য প্রধান উপদেষ্টা অর্থবহ সংস্কারের নির্দেশনা দিয়েছেন।” পাশাপাশি সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার, তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার এবং স্বাধীন মতপ্রকাশ নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকারের অবস্থান পরিষ্কার বলে উল্লেখ করেন তিনি।
শফিকুল আলম আরও বলেন, “এই সরকার কোনো গণমাধ্যম বন্ধ করেনি। বরং সাংবাদিকদের স্বার্থেই তারা একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে।” তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “অনেক সাংবাদিক কোটিপতি হয়েছেন, অথচ সাংবাদিকতার আসল চেতনা হারিয়ে যাচ্ছে। সাংবাদিকদের এখন উচিত চামচামি বাদ দিয়ে ন্যায্য অধিকার নিয়ে কথা বলা।” এ সময় তিনি ইউএন অফিসকে একটি চিঠি পাঠানোর কথা জানান, যাতে শেখ হাসিনার সময়কালে সাংবাদিকতার ওপর কেমন চাপ এসেছে তা স্বাধীনভাবে তদন্ত করা যায়।