• ৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

র‍্যাবের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালিত

দখিনের সময়
প্রকাশিত মে ২১, ২০২৫, ১৯:১১ অপরাহ্ণ
র‍্যাবের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালিত

DHAKA, BANGLADESH - 2021/02/20: Bangladeshi RAB (Rapid Action Battalion) Dog squad unit stand on guard at the Central Shaheed Minar in Dhaka, Bangladesh. Bangladesh is preparing to celebrate the International Mother Language Day which falls on Feb. 21. The United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization (UNESCO) declared Feb. 21 as the International Mother Language Day. (Photo by Piyas Biswas/SOPA Images/LightRocket via Getty Images)

দখিনের সময় ডেস্ক:
আজ দেশের অন্যতম চৌকস আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে প্যারেডের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশের পর, পহেলা বৈশাখে রমনা বটমূলে নিরাপত্তা দিয়ে র‍্যাবের মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম শুরু হয়। একই বছরের ২১ জুন বাহিনীটি পূর্ণাঙ্গভাবে অপারেশনাল হয়। রমজানের কারণে এবারের ‘রেইজিং ডে’ কিছুটা আগে আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে সরাসরি উপস্থিত থাকছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
র‍্যাবের কাজ শুধু বাহিনীগত তৎপরতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়—জঙ্গি দমন, মাদকবিরোধী অভিযান, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারসহ সমাজে শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে এই বাহিনী ধারাবাহিকভাবে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছে। বিশেষ করে ২০০৫ সালের দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার পর জেএমবির শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার, গুলশান হামলার পর অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা, এবং সুন্দরবনের জলদস্যুদের আত্মসমর্পণ করিয়ে পুনর্বাসন—সবই র‍্যাবের কার্যক্রমের মানবিক ও কঠোর দুই চেহারা তুলে ধরে। ২০১৯ সালের আলোচিত ক্যাসিনো অভিযানেও বাহিনীটি আলোচনায় আসে, যখন কোটি কোটি টাকার সম্পদ, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
বর্তমানে অতিরিক্ত আইজিপি এম খুরশীদ হোসেনের নেতৃত্বে র‍্যাবের ব্যাটালিয়ন সংখ্যা বেড়ে ১৫-তে দাঁড়িয়েছে, যেখানে পুলিশ, সেনা, নৌ, বিমান, বিজিবি, কোস্টগার্ডসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা একত্রে কাজ করছেন। ‘রিপোর্ট টু র‍্যাব’ অ্যাপের মাধ্যমে জনগণ এখন আরও সরাসরি তথ্য দিতে পারছে, যা প্রযুক্তি ও জনসম্পৃক্ততার সমন্বয়ে বাহিনীটিকে আরও কার্যকর করে তুলছে। প্রতি বছর সাহসিকতা ও সেবার জন্য র‍্যাব সদস্যদের বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়, আর ‘র‍্যাব মেমোরিয়াল ডে’-তে শহীদ সদস্যদের স্মরণে আয়োজিত হয় আবেগঘন অনুষ্ঠান। র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈনের ভাষায়, “দু’দশক পেরিয়ে র‍্যাব এখন সাহস, সেবা ও মানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।”