• ৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদের হাটে নজর কাড়ছে ‘নবাব’ ও ‘টাইগার বিষু’

দখিনের সময়
প্রকাশিত জুন ২, ২০২৫, ১৮:৪৭ অপরাহ্ণ
ঈদের হাটে নজর কাড়ছে ‘নবাব’ ও ‘টাইগার বিষু’
দখিনের সময় ডেস্ক:
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নওগাঁর মান্দা উপজেলায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। এ হাটের সবচেয়ে আলোচিত নাম এখন দুটি ষাঁড়—‘টাইগার বিষু’ ও ‘নবাব’। ছোট বেলালদহ গ্রামের আবু ইউসুফ হেলালের খামারে বড় হয়ে উঠেছে ‘টাইগার বিষু’, যার ওজন প্রায় ৩০ মণ। অন্যদিকে এনায়েতপুর মঞ্জিলতলার খামারি আফজাল হোসেনের ‘নবাব’-এর ওজন ৩৫ মণ ছাড়িয়ে গেছে। দুধ, কলা, ছোলা, ভুসি ও উন্নত দানাদার খাবারেই তারা এই বিশাল ষাঁড় দুটি বড় করেছেন বলে জানান খামারিরা।
খামারিদের ভাষ্যমতে, ‘নবাব’ প্রতিদিন পান তিনবেলা গোসল ও পুষ্টিকর খাবার—ময়দা, দানাশস্য, গম, কালাই ও ভুসির বিশেষ মিশ্রণ। ‘টাইগার বিষু’ও পিছিয়ে নেই। তার পরিচর্যার জন্য প্রতিদিন ৩০ কেজি সুষম খাবার খাওয়ানো হয়। ইতোমধ্যেই ‘নবাব’-এর দাম হাঁকানো হয়েছে ৭ লাখ টাকা, আর ‘টাইগার বিষু’র দাম উঠেছে সাড়ে ৬ লাখে। এদের সঙ্গে আরও রয়েছে ‘সাদা মানিক’, ‘কালো মানিক’ ও ‘বাদশা’ নামের তিনটি বড় ষাঁড়। দর্শনার্থী, সম্ভাব্য ক্রেতা আর সেলফিপ্রেমী মানুষদের ভিড়ে খামারগুলো হয়ে উঠেছে যেন এক উৎসবের কেন্দ্রবিন্দু।
মান্দা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের মাধ্যমে ষাঁড়গুলোকে প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রাণিসম্পদ দফতরের নিয়মিত তদারকিতে খামারগুলো এখন কেবল পশুর লালন কেন্দ্র নয়, বরং ভালোবাসা, শ্রম ও সফলতার প্রতীক হয়ে উঠেছে। কোরবানির হাটে এই ধরনের বিশাল ও স্বাস্থ্যবান ষাঁড়ের চাহিদা সবসময়ই বেশি—আর এবারও ব্যতিক্রম নয়।