• ৩রা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ২০শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পল্লবী থানায় বোমা নেয় পুলিশের সোর্স রিয়াজুল, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পেশ

দখিনের সময়
প্রকাশিত আগস্ট ১১, ২০২০, ০২:২৩ পূর্বাহ্ণ
পল্লবী থানায় বোমা নেয় পুলিশের সোর্স রিয়াজুল, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পেশ
সংবাদটি শেয়ার করুন...
দখিনের সময় ডেক্স:
রাজধানীর পল্লবী থানায় বিস্ফোরিত বোমাটি ভবনের দোতলায় পরিদর্শক ইমরানুল ইসলামের কক্ষে নিয়ে গিয়েছিলো পুলিশের সোর্স রিয়াজুল। ২৭ জুলাই সন্ধ্যায় একটি ব্যাগে করে বোমাটি সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। একটি সূত্র তথ্য জানাগেছে। সূত্রমতে বিস্ফোরণের ঘটনায় ডিএমপির পক্ষ থেকে গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন পেশ করেছে।
পল্লবী থানায় গত ২৯ জুলাই বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২৯ জুলাই ভোরের দিকে পরিদর্শক ইমরানুলের কক্ষে পুলিশ সোর্স রিয়াজুল ব্যাগ থেকে ওজন মাপার যন্ত্র থেকে একটি বোমা বের করে নাড়াচাড়া করছিলেন। একপর্যায়ে তা বিস্ফোরিত হয়। ওই যন্ত্রের ভেতরে তিনটি বোমা ছিল
এর আগে ২৭ জুলাই বিকেলে পল্লবীর বাউনিয়া বাঁধ এলাকা থেকে শহিদুল, মোশারফ রফিকুল নামের তিনজনকে আটক করে পুলিশ। এরপর তাদের একটি  মাইক্রোবাসে করে পল্লবী থানায় আনা হয়। তাদের নিয়ে ওই দিন রাতে এক যুবলীগ নেতাকে ধরতে অভিযানে যায় পুলিশ। তবে ওই নেতাকে না পেয়ে তাদের আবার থানায় নেওয়া হয়
এদিকে গ্রেপ্তার শহিদুল ইসলাম পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বলেছেন, দেশের বাইরে থেকে জামিল মিয়া বলছিল একটা কাজ আছে। এক নেতাকে হত্যা করতে হবে। অগ্রিম পাঁচ হাজার টাকাও পাঠাইছিল। যাকে হত্যা করা হবে, তার একটা শটগান আছে, একটা নাইন এমএম পিস্তলও আছে। গাড়িতে চলাফেরা করে। তবে এলাকায় নয়, এলাকার বাইরে তাকে হত্যা করতে বলেছিল।
তদন্তে উঠে এসেছে, ঢাকা মহানগর উত্তরের পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইযুল ইসলাম বাপ্পী উত্তরের সাধারণ সম্পাদক (বহিষ্কৃত) জুয়েল রানাকে খুন করতে সন্ত্রাসী জামিল মিয়া বিদেশ থেকে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ ভাড়া করেছিল। তবে জামিলের সহযোগী তিন সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার হওয়ায় প্রাণে বেঁচে যান তাঁরা সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মিরপুর এলাকার আরো অনেক রাজনৈতিক নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা চলছে।