• ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরিশালে শিশুদের সার্বজনীন জন্মদিন ‍উৎযাপিত

দখিনের সময়
প্রকাশিত জুলাই ২৯, ২০২০, ০৯:০১ পূর্বাহ্ণ
বরিশালে শিশুদের সার্বজনীন জন্মদিন ‍উৎযাপিত

ফায়েদ অর্ণব ॥

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের উদ্যোগে বরিশাল এপিসি কনফারেন্স রুমে বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে ‘সার্বজনীন জন্মদিন উৎযাপন-২০২০’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার প্রলয় চিসিম। আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের বরিশাল এপিসি ম্যানেজার জনাব স্বপন মন্ডল, ওরিয়েন্টাল পাষ্টারল রিট্রিট সেন্টারের সিএসসি পরিচালক যোষেফ সুভাস কস্তা, বরিশাল সদর উপজেলার শিক্ষা অফিসার জনাব রফিকুল ইসলাম তালুকদার, ভাটারখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লিজা খন্দকারসহ বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ শিশুদের সার্বিক সুরক্ষা, জীবনের অর্থবহ ও দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়ন আনায়নে কাজ করে। তারই ধারাবাহিকতায় সমাজের সকল শিশুদের জন্য প্রতি বছর সার্বজনীন জন্মদিন উদ্যাপনের আয়োজন করে থাকে। সমাজে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত অনেক শিশু আছে সামর্থের অভাবে যাদের জন্মদিনগুলো উৎযাপন করতে পারে না তাদের পবিবারেরা। একারণে সকল শিশুর জন্য ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এই সার্বজনীন জন্মদিন উৎযাপন -২০২০ এর আয়োজন করেছে। করোনা ভাইরাসের কারণে এ বছর সামাজিক সুরক্ষার সকল নিয়মগুলো মেনে ক্ষুদ্র আকারে আয়োজন করে ওয়াল্ড ভিশন কর্তৃপক্ষ।

অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক মেধা বিকাশ ও চর্চার জন্য ৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য হারমোনিয়াম ও তবলা বিতরণ করা হয়। এছাড়াও ৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সিলিং ফ্যান ও পানির ফিল্টার প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে আলোচনা পর্বের শুভেচ্ছা বক্তব্যে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের বরিশাল এপিসি ম্যানেজার স্বপন মন্ডল বলেন, ’সার্বজনীন জন্মদিন উৎযাপনের মূল উদ্দেশ্যে হলো এর মাধ্যমে শিশুদের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরী করে দেয়া যার মাধ্যমে শিশুরা গান, নাচ ইত্যাদি চর্চায় অংশগ্রহণ করতে পারে। আনন্দ উপভোগ করতে পারে।

যদিও এবছর করোনা ভাইরাসের কারণে এতকিছুর আয়োজন সম্ভব হয়নি’। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএমপি অতিরিক্ত কমিশনার প্রলয় চিসিম বলেন, ’বিদ্যালয়ে জ্ঞান চর্চার পাশাপাশি শিশুদের সুকুমারবৃত্তি চর্চা ও মানবিকতার চর্চার দিকেও লক্ষ্য দেয়া উচিত তাদের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য।’তিনি ওয়ার্ল্ড ভিশনকে ধন্যবাদ জানান শিশুদের সুকুমার বৃত্তি চর্চার সুযোগের জন্য বিদ্যালয়গুলোতে হারমোনিয়াম ও তবলা বিতরণের জন্য।

আলোচনা পর্ব শেষে শিশুদের নিয়ে আমন্ত্রিত অতিথিরা কেক কাটেন ও বিদ্যালয়গুলোকে উপহার সামগ্রী প্রদান করেন।