রাজনৈতিক বিষয়ে আগ্রহ নেই খালেদা জিয়ার, শেষ হয়ে আসছে মুক্তির মেয়াদ
দখিনের সময়
প্রকাশিত আগস্ট ৫, ২০২০, ০১:৪১ পূর্বাহ্ণ
সংবাদটি শেয়ার করুন...
দখিনের সময় ডেক্স:
সরকারে নির্বাহী আদেশে গত ২৫ মার্চ করাগার থেকে ছয় মাসের জন্য মুক্তি লাভকরেন বিএনপি চেয়ারর্পাসন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর কারমুক্তির মেয়াদ শেষহয়ে এসেছে। এ অবস্থায় তিনি রাজনৈতিক আলোচনায় অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। এবারের ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এমন মনোভাব ব্যক্ত করেন বলে দলের একাধিক নেতা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র মতে এখন বেগম খালেদা জিয়ার একমাত্র লক্ষ হচ্ছে, মুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধি করে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়া। এ সময়ে তিনি সরকারের দৃষ্টিতেদ ‘সুবোধ’ হিসেবেই থাকতে চান বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। উল্লেথ্য বিচারে সাজাপ্রপ্ত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে যান বেগম খালেদা জিয়া। অনেক জল্পনা কল্পনা, হামকী-ধমকী বিফলে যাবার পর পরিবারের সদস্যদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৫ মার্চ তিনি ছয় মাসের জন্য মুক্তি লাভ করেন। তার মুক্তির মেয়াদ বৃদ্দির জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি নেয়া হচ্চে বলে জানাগেছে। এবার আবেদনে চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার সুযোগ চাওয়া হবে বলে বলে সূত্র জানিয়েছে।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) এখন তাঁর স্বাস্থ্যগত বিষয় নিয়ে বেশি কনসার্ন। তাঁর উন্নত চিকিৎসা দরকার। তাই সে বিষয়ে তিনি বেশি মনোযাগী। তা ছাড়া রাজনৈতিক ইস্যু আলোচনা করতে আমি বসিওনি।’ স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ গতকাল মঙ্গলবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি, কবে কে কোথায় মারা গেলেন এবং চেয়ারপারসনের স্বাস্থ্য বিষয় নিয়ে আমরা ঈদের দিন পরস্পরের সঙ্গে আলোচনা করেছি। ম্যাডামও অতীত ও বর্তমানের অনেক ঘটনার ম্মৃতিচারণা করেছেন। সংগত কারণেই রাজনীতি নিয়ে তিনি কথা বলেননি।’ তা ছাড়া ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বেশ ভালোভাবেই দল পরিচালনা করছেন বলে মন্তব্য করেন মওদুদ।
এদিকে অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, বিএনপি এখন পুরোপুরিভাবে পরিচালনা করছেন প্রবাসে অবস্থানকারী দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সভাপতিত্ব ছাড়াও দলটির সাংগঠনিক সব সিদ্ধান্ত এখন তিনিই দিচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে রাজনীতির সঙ্গে আপাতত খালেদা জিয়া সম্পৃক্ত হতে চাইছেন না বলে মনে করা হচ্ছে।