বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম বার-এর সাম্প্রতিক সাবধানবানী নগরবাসীকে বিশেষ আশার আলো দেখিয়েছে। তিনি পুনরায় বলেছেন, দিস ইজ দা লাস্ট ট্রিটমেন্ট, দুষ্টের দমন আমাদের করতেই হবে। ঘরের হোক বা বাইরের হোক, আর কোন ছাড় নয় ! তার এই বক্তব্য জনসাধারনের মধ্যে আশার আলো জ্বালাবার পাশাপাশি কাঁপন ধরিয়েছে দুর্নীতিবাজ পুলিশ ও অপরাধীদের মনে।
বরিশাল পুলিশ লাইন্স-এ ২৬শে জুলাই শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠকে বিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম বার এ কথা বলেন। তিনি বলেন, মাদক ও দুর্নীতির প্রতি অপরাধীদের একধরনের অহেতুক নেশা আছে। মাদকাসক্তদের যেমন রিহেবিলিটেশন প্রয়োজন, তেমনিই দুর্নীতিবাজদেরও মানসিকতার পুনর্বাসন প্রয়োজন।বিএমপি কমিশনার আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আইজিপি মহোদয় মাদক ও দুর্নীতি নির্মূলে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন। এরপরেও যদি কোন বিপদগামী পুলিশ সদস্য এই দুর্নীতি থেকে বের হয়ে আসতে না পারে, ভালো হতে না পারে, নিজেকে শুধরে নিতে না পারে, তাকে ভালো করার কঠোর ব্যবস্থা হাতে রয়েছে!
উল্লেখ্য, বিএমপি কমিশনার হিসেবে যোগদানের পর মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম বার তাঁর টিমে কঠোর শৃঙ্খলা আনার উদ্যোগ নেন। পাশাপাশি ওপেন হাউজ ডে’র মাধ্যমে তিনি পুলিশকে প্রকৃত অর্থেই জনগনের পুলিশে পরিণত করার ধারা অনেকটাই এগিয়ে নেন। উল্লেখ্য, বরিশালে যোগদানের আগে তিনি একাধিক জেলার পুলিশ সুপার এবং একাধিক বার র্যাব-এর সিও হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন খানের সততা এবং অভিজ্ঞতা ও দক্ষতায় বিএমপি অসাধারণ এক উচ্চতায় পৌছেছে বলে অনেকে মনে করেন। তবে এখনও শর্ষের মধ্যে কিছু ভুত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে কোন কোন মহল থেকে। মাদকের ‘পাইকারী বাজার’ হিসেবে পরিচিত বরিশাল সদর উপজেলার ১নং রায়পাশা কড়াপুর ইউনিয়নে ২২ জুলাই ডিবি’র অভিযানের খবরটি বিমানবন্দর থানা সূত্রে ফাঁস হয়ে যাবার কথা উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করছেন কেউ কেউ। সূত্র জানিয়েছে, গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানের কথা ফাঁস করে দেয়ার ক্ষেত্রে সন্দেহভাজন ব্যক্তিটি এর আগে কোতয়ালী থানায় কর্মরত ছিলেন।