নায়িকা পরীমণিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টায় সাভার থানায় করা মামলায় জামিন পেয়েছেন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও তুহিন সিদ্দিকী অমি। পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় তাদের জামিন আদেশ দিয়েছেন ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহজাদী তাহমীদা। দুই পক্ষের শুনানি শেষে মঙ্গলবার (২৯ জুন) দুপুরে জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।
জামিন পেলেও এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না নাসির-অমি। কারণ তারা বিমানবন্দর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার আছেন। অন্যদিকে অমির বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে মানব পাচার ও পাসপোর্ট জালিয়াতির মামলা।
পরীমনির করা মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার (২৯ জুন) ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাদের হাজির করে পুলিশ। এ সময় তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক কামাল হোসেন। অন্যদিকে নাসির-অমির আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। দু’পক্ষের শুনানি শেষে তাদের জামিন দেওয়া হয়।
এদিকে, গত ১৪ জুন পরীমনি বাদী হয়ে উত্তরা ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ, অমিসহ ছয়জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এরপর ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুন নাহার এ মামলার এজাহার গ্রহণ করে আগামী ৮ জুলাই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। এ ঘটনার পর রাজধানীর উত্তরা-১ নম্বর সেক্টরের-১২ নম্বর রোডের বাসা থেকে নাসির উদ্দিনসহ পাঁচজনকে মাদকসহ গ্রেপ্তার করে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
ডিবি গুলশান জোনের উপপরিদর্শক মানিক কুমার সিকদার বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আরেকটি মামলা করেন।
ওই মামলার রিমান্ড শেষে বুধবার (২৩ জুন) আদালতে হাজির করা হয় আসামিদের। তারপর পরীমনির মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে নাসির-অমির ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসান।