• ৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৪শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শ্বেতাঙ্গ নারীদের রাজনৈতিক সক্রিয়তা বৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ যৌন অতৃপ্তি, ‘সেক্স মন্ত্রণালয়’ গঠনের প্রস্তাব

দখিনের সময়
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ১৯:৩৮ অপরাহ্ণ
শ্বেতাঙ্গ নারীদের রাজনৈতিক সক্রিয়তা বৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ যৌন অতৃপ্তি, ‘সেক্স মন্ত্রণালয়’ গঠনের প্রস্তাব
সংবাদটি শেয়ার করুন...
দখিনের সময় ডেস্ক:
দেশের কোনো নারী যেন ‘যৌন অতৃপ্ত’ না থাকেন এই লক্ষ্য সামনে রেখে ‘মিনিস্ট্রি অব সেক্স’ নামে একটি মন্ত্রণালয় গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে ইউরোপের দেশ আর্মেনিয়ার একটি নতুন রাজনৈতিক দল। দলটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সারগিস কারাপেতিয়ান দাবি করেছেন, মধ্যবয়সী শ্বেতাঙ্গ নারীদের রাজনৈতিক সক্রিয়তা বৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ যৌন অতৃপ্তি। দ্য টেলিগ্রাফকে দেয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, এই সমস্যা সমাধানে একটি আলাদা মন্ত্রণালয় গঠন করা যেতে পারে, যা একই সঙ্গে আর্মেনিয়ার ক্রমহ্রাসমান জন্মহার মোকাবিলাতেও ভূমিকা রাখবে।
‘মিনিস্ট্রি অব সেক্স’ ধারণাটি প্রথম সামনে আনেন আর্মেনীয় সমাজবিজ্ঞানী আরমেন খাচিকিয়ান। ‘ট্রায়াঙ্গল’ নামের একটি পডকাস্টে তিনি বলেন, যৌন অতৃপ্তির কারণেই নারীরা আগের তুলনায় রাজনীতিতে বেশি সক্রিয় হয়ে উঠছেন। পডকাস্টের সঞ্চালক লেভন সারগিজভ এ ধরনের বিষয় তদারকির জন্য একটি আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের প্রস্তাব দেন। কারাপেতিয়ান বলেন, মন্ত্রণালয়টির নাম হওয়া উচিত ‘মিনিস্ট্রি অব সেক্স’। তবে এটি কীভাবে কাজ করবে বা কী ধরনের কার্যক্রম নেবে সে বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা তিনি জানাননি।
এ প্রস্তাবের তীব্র সমালোচনা করেছেন ক্ষমতাসীন সিভিল কন্ট্রাক্ট পার্টির সংসদ সদস্য সোনা গাজারিয়ান। ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে তিনি মন্তব্যগুলোকে ‘নিরেট সেক্সিজম’ হিসেবে আখ্যা দেন। তিনি লেখেন, নারীদের নিজস্ব সিদ্ধান্তের অধিকার কেড়ে নেয়া এবং তাদের পুরুষের কল্পনা ও অশ্লীল প্রতিশ্রুতির স্তরে নামিয়ে আনা জঘন্য কাজ। অতীতে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করে লাভ নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও কারাপেতিয়ানের বক্তব্য ঘিরে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। নারীবাদী ইনফ্লুয়েন্সার লুসি কোচারিয়ান এক পোস্টে বলেন, আপনার নির্বাচন-পূর্ব যৌন লালসা আর্মেনিয়ার নারীদের ওপর চাপিয়ে দেবেন না।
সমালোচনার মুখে কারাপেতিয়ান দাবি করেছেন, তার বক্তব্য প্রসঙ্গের বাইরে নিয়ে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার কি আমার শব্দচয়ন নিয়ে বিরক্ত, নাকি আমি খোলাখুলি সমস্যার কথা বলছি বলেই তারা অস্বস্তিতে? তার ভাষায়, একটি সুস্থ সমাজ ও একটি সুস্থ আর্মেনিয়া গড়াই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।