সাগরে ঝাকে ঝাকে ধরা পড়ছে ইলিশ। ট্রলার বোঝাই করে ঘাটে আনা হচ্ছে। সাইজেও বড়। সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে গত সপ্তাহের তুলনায় পাইকারি বাজারে প্রতি মণে দাম কমেছে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা।
খুচরা বাজারেও পড়েছে এর প্রভাব। ট্রাক ভর্তি করে ইলিশ পাঠানো হচ্ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে গতকাল শুক্রবার পর্যাপ্ত পরিমাণ ইলিশের সরবরাহ দেখা গেছে।
মহিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে মাছ নিয়ে আসা আবুল কাসেম নামের এক জেলে গণমাধ্যমকে বলেন, সাগরে ৪ দিন মাছ ধরেছি। সাগর উত্তাল হওয়ায় নিরাপদে আশ্রয় নিতে মহিপুরে এসেছি। ট্রলারের সব মাছ ২১ লাখ টাকায় বিক্রি করতে পেরে আমি খুব খুশি। এত কম সময়ে এত মাছ এ মৌসুমে আর পাইনি। সাগরে জাল ফেললেই ধরা পড়ছে ইলিশ। আকারেও বেশ ভালো।
জেলেদের সাথে কথা বলে জানা যায় , বৈরী আবহাওয়ার কারণে কয়েকদিন ধরে গভীর সাগর থেকে মাছধরা ট্রলারগুলো উপকূলে ফিরছে। তাদের ধরা ইলিশে স্থানীয় বাজারগুলোতে সরবরাহ বেড়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি থাকায় ইলিশের দাম কমেছে কেজিতে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত।
মহিপুর থেকে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০টি মাছভর্তি ট্রাক ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে। স্থানীয় বাজারেও কমেছে মাছের দাম।
পটুয়াখালী জেলা মৎস্য অফিসার আজহারুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, নানা ধরনের অবরোধের কারণে বড় বড় আকারের ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। জেলেরাও ভালো দাম পাচ্ছেন। বাজারের দামও ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে।