মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক হামলার পর উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। তেহরানসহ ইরানের পাঁচটি প্রধান শহরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলার প্রেক্ষাপটে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা ভেঙে দিতে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজন হলে বিস্তৃত যুদ্ধে যেতে প্রস্তুত। তিনি দাবি করেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও নৌ সক্ষমতাকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে এবং দেশটি যাতে কখনও পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা হবে। এর আগে ২২ জুন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান ইরানের ফোর্দো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায় বলে জানা যায়। বিশেষ করে পাহাড়ঘেরা ফোর্দো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র ছিল প্রধান লক্ষ্য।
এরও আগে ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের কয়েকটি সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় আকস্মিক হামলা চালানোর কথা স্বীকার করেছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ব্যাহত করা। সাম্প্রতিক ঘোষণার পর অঞ্চলজুড়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।