• ২৮শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৪ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৯ মাস ধরে বন্ধ খেয়া, প্রশাসন নীরব

দখিনের সময়
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ
৯ মাস ধরে বন্ধ খেয়া, প্রশাসন নীরব
সংবাদটি শেয়ার করুন...
চরফ্যাশন প্রতিনিধি:
দ্বীপকন্যা ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার মূল ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন মুজিবনগর ইউনিয়নের চর মনোহার গ্রাম। তেঁতুলিয়া নদী পার হয়ে ওই গ্রামে যেতে হয়। প্রতিদিনের যাতায়াত, শিক্ষা, চিকিৎসা ও ব্যবসা-বাণিজ্য কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রায় ৯ মাস যাবত খেয়া বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই গ্রামে বসবাসরত অন্তত ৫ হাজার মানুষ। নদী পারি দেয়ার একমাত্র মাধ্যম হলো খেয়ানৌকা।
দীর্ঘদিন ধরে খেয়া চলাচল বন্ধ থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি, তারা নীরব। ‍এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে তেঁতুলিয়া নদী দিয়ে চলাচলকারী খেয়াটি দুই পাড়ের মানুষের একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম ছিল। তবে প্রতি বছরের বাংলা সনের শুরুতে এই খেয়াটি সরকার যে কোন ব্যক্তিতে ইজারা দিয়ে থাকে। তারই ধারাবাকিতায় মূল ভূখন্ডে বাবুরহাটের কাচারীখাল হতে চর মনোহর পর্যন্ত সেখানকার বাসিন্দা জহিরুল ইসলামকে বাংলা ১৪৩২ সনে খেয়াঘাট ইজারা দেয় চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তার নামে খেয়াঘাটটি ইজারা দেয়ার পর থেকে প্রভাবশালী জুয়েল, আছমান, জহির, আলমাছ, আমির, বজলু, রিয়েল, তানজিদ ও মাহিদুলরা নদী পারাপারের খেয়া বন্ধ করে দেয়। এতে চর ভোগান্তিতে পরেছেন সাধারণ মানুষ।