ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম জিজ্ঞাসাবাদে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য আদালতকে দিয়েছেন বলে জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসামিদের হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, ডিবি পুলিশের মতিঝিল অঞ্চলের পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ রিমান্ড শেষে তাদের জেলহাজতে পাঠানোর আবেদন করেন। শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেন আবেদন মঞ্জুর করেন। এ সময় প্রসিকিউশনের পক্ষে এসআই রুকনুজ্জামান আদালতকে জানান, রিমান্ডকালীন জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা হত্যাকাণ্ডের পেছনের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন, তবে তদন্তের স্বার্থে এসব তথ্যের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।
আদালতে দাখিল করা আবেদনে বলা হয়, গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় মানবপাচার ও অবৈধ পণ্য চোরাচালান চক্রের সদস্য ফিলিপের সহযোগী। তারা পরস্পর চাচাতো ভাই এবং সীমান্তপথ ব্যবহার করে ভারতে পালাতে সহায়তা করে থাকতে পারেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পাশাপাশি মামলার প্রধান পলাতক আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগীদের ভারতে পালানোর ঘটনায়ও তাদের সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা রয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৪ ডিসেম্বর আব্দুল্লাহ আল জাবের হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়, পরে ওসমান হাদির মৃত্যুর পর এতে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা যুক্ত করা হয়। এ মামলায় এ পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।