দখিনের সময় ডেস্ক:
দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের ব্যবহারযোগ্য মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-এর চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কারওয়ান বাজারে বিপিসি ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য দেন।
তিনি বলেন, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি বিবেচনায় বিকল্প বাজার থেকে জ্বালানি সংগ্রহের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে ভাবা হচ্ছে। তবে বর্তমান মজুদ পরিস্থিতিতে জ্বালানির দাম বাড়ার আশঙ্কা নেই বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন। নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে ইতোমধ্যে সাতটি জাহাজের ঋণপত্র (এলসি) খোলা হয়েছে। বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ডিজেল মোট ২ লাখ ১৪ হাজার মেট্রিক টন, যার মধ্যে ব্যবহারযোগ্য ১ লাখ ৬৪ হাজার মেট্রিক টন—যা প্রায় ১৪ দিনের চাহিদা মেটাতে সক্ষম। অকটেনের মোট মজুদ ৩৭ হাজার মেট্রিক টন (ব্যবহারযোগ্য ৩৪ হাজার), যা ২৮ দিনের জন্য যথেষ্ট। পেট্রোল রয়েছে মোট ২১ হাজার মেট্রিক টন (ব্যবহারযোগ্য ১৯ হাজার), যা ১৫ দিনের চাহিদা পূরণ করবে। ফার্নেস অয়েলের মোট মজুদ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন (ব্যবহারযোগ্য ৭৬ হাজার), যা ৯৩ দিনের জন্য পর্যাপ্ত। জেট এ–১ জ্বালানির মোট মজুদ ৬০ হাজার মেট্রিক টন, যার মধ্যে ৫৫ হাজার মেট্রিক টন ব্যবহারযোগ্য—প্রায় ৩০ দিনের চাহিদা মেটাতে সক্ষম।
বিপিসি চেয়ারম্যান জানান, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে আমদানি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং বাজার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আপাতত জ্বালানি ঘাটতির কোনো শঙ্কা নেই।
Post Views: ৯