দখিনের সময় ডেস্ক:
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। পাল্টা হামলা–প্রতিহামলার ধারাবাহিকতায় এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬১১ জনে দাঁড়িয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্র শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে শুরু করা সামরিক অভিযানের নাম দিয়েছে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’, আর ইসরায়েল তাদের অংশের নাম রেখেছে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’। দুই দেশই জানিয়েছে, ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসকে লক্ষ্য করে এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অপরদিকে ইরান দ্রুত পাল্টা জবাব দিয়ে ইসরায়েলের ভেতরে এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও দূতাবাস লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উভয় পক্ষের সংঘাতে শত শত মানুষ আহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দাবি করেছে, ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ দেশটির শীর্ষ পর্যায়ের প্রায় ৫০ জন নেতা নিহত হয়েছেন। ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির তথ্যমতে, যৌথ হামলায় ইরানে ৫৫৫ জন নিহত এবং ৩১টি প্রদেশের ১৩১টি শহর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তেহরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা ও হাসপাতালেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিযান কয়েক সপ্তাহ স্থায়ী হতে পারে। সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেল, গ্যাস ও স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে বিমান চলাচল ও বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল আকার ধারণ করছে।
Post Views: ১১