• ২৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজনৈতিক অস্থিরতার শঙ্কা?

দখিনের সময়
প্রকাশিত আগস্ট ৩০, ২০২৫, ২১:৪৩ অপরাহ্ণ
রাজনৈতিক অস্থিরতার শঙ্কা?
সংবাদটি শেয়ার করুন...
দখিনের সময় ডেস্ক:
শুকবার(২৯ আগস্ট) রাতে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের মধ্যে সংঘর্ষ ও নুরুল হক নুরকে মারধরের ঘটনার সময় বেশ কিছু সংবাদ মাধ্যম এই ঘটনাটি সরাসরি সম্প্রচার করছিল। সেই সব ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েও পড়ে।
এই ঘটনা নিয়ে নানা আলোচনা তৈরি হতে থাকে। বিশেষ করে নুর গুরুত্বরভাবে জখম হওয়ার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও অনেকে শঙ্কা প্রকাশ করেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিবিসি বাংলাকে বলেন, “পরিস্থিতিকে অস্থির করার জন্য একটা মহল কাজ করছে। আমি ঠিক জানি না এক্সাক্টলি কারা এটা করছে। কিন্তু করা হচ্ছে এটা। এই ব্যাপারটা নিয়ে আমরা যথেষ্ট উদ্বিগ্ন”।
প্রায় একই ধরনের শঙ্কার কথা বলছে জামায়াতে ইসলামীও। এটিকে শুধু দুটি দলের মধ্যে সংঘাত বা ঘটনাক্রমে নুর আহত হয়েছে বলেও মনে করছেন না দলটি। জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বিবিসি বাংলাকে বলেন, “এটা যে এ্যাক্সিডেন্টাল ঘটনা সেটাও মনে হচ্ছে না। একটার পর একটা ঘটনা ঘটছে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ঘোলাটের দিকে যাচ্ছে মনে হয়। কে বা কারা এর পেছনে ইন্ধন যোগাচ্ছে”।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন পোস্টে কেউ কেউ অভিযোগ করছেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে সরকার ও নির্বাচন কমিশন থেকে। এই নির্বাচন পেছানোর জন্যও ঘোলাটে পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে এমন আশঙ্কার কথাও কেউ কেউ জানিয়েছেন।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এই ঘটনায় ঠিক নির্বাচন পেছানোর মতো কোন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন না। রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, “শুক্রবারের ঘটনায় নানা রকম উসকানি আছে, এটা নিয়ে একটা আতঙ্ক ছড়াচ্ছে নির্বাচনটা সময় মতো হবে কী হবে না। এই ধরনের পরিস্থিতি ঘোলা করে নানা রকমের সুবিধা নিয়ে যারা লাভবান হয় তারা এগুলো করে”। তার মতে, কিছু রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি বা গোয়েন্দা সংস্থাও মাঝে মাঝে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করে। এবং কাকরাইলে গণঅধিকার ও জাতীয় পার্টির সংঘর্ষের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে।
তাহলে কী, এমন পরিস্থিতির কারণে নির্বাচন পেছানো বা নির্বাচন নিয়ে কোন জটিল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে? এই প্রশ্নে মি. আহমদ বলছেন, এই ঘটনা রাজনীতি বা আগামী নির্বাচনে কোনো প্রভাব ফেলবে না। শুক্রবার রাতের ওই ঘটনার পর রোববার বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির সাথে বৈঠক ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা।
খবরসূত্র: বিবিসি বাংলা