• ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বের বুকে গর্ব নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী

দখিনের সময়
প্রকাশিত মার্চ ২৬, ২০২১, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বের বুকে গর্ব নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ,  স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী

দখিনের সময় ডেক্স:

সব অপপ্রচার রুখে দিয়ে বিশ্বের বুকে গর্ব নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ। উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে এ কথা বলেন  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সব ভেদাভেদ ভুলে, ঐক্যের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (২৫শে মার্চ) সন্ধ্যায় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে  ভাষণ দেন সরকার প্রধান । স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী আর মুজিব জন্মশতবর্ষ পালন করছে বাংলাদেশ। এ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা আর অভিনন্দন জানিয়ে ভাষণ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । প্রধানমন্ত্রী বলেন, শেখ মুজিব একটি দেশ, একটি জাতি-রাষ্ট্রের স্রষ্টা। কাজেই তার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী আমরা একযোগে উদযাপন করছি।

ড্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন, ২৫শে মার্চ কালরাত্রির শহিদদের, জাতীয় চার নেতা আর মহান মুক্তিযুদ্ধে ত্রিশ লাখ শহিদের। এসময় বঙ্গবন্ধু কন্যা- বর্তমান সরকারের ধারাবাহিক সাফল্যের চিত্র তুলে ধরেন বলেন, সব অপপ্রচার রুখে দিয়ে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি বাংলাদেশের জনগণকে ধন্যবাদ জানাই এজন্য যে, জাতীয় জীবনের এই দুই গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক উদযাপনকালে স্বাধীনতাযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে তারা রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসিয়েছেন। সরকার প্রধান বলেন, আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা ২৪ বছরের নিরন্তর রাজনৈতিক সংগ্রামের ফসল। আর এই সংগ্রামের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৪৮ সালে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে সৃষ্ট আন্দোলনে যে স্বাধিকারের বীজ বপন করেছিলেন, তাকেই সযতেœ লালন-পালন করে তিনি স্বাধীন মাতৃভূমি প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের পরিণত মহিরূহে রূপান্তরিত করেন। শেখ মুজিব থেকে পরিণত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শুধু একটি স্বাধীন-সার্বভৈৗম ভূখণ্ডেরই স্বপ্ন দেখেননি, তিনি স্বপ্ন দেখতেন এ জনপদের সাধারণ মানুষ, যারা শত শত বছর ধরে শোষণ-বঞ্চণা, নিপীড়ন-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, না-খেয়ে না-দেয়ে, রোগে-শোকে মারা গেছে, তাদের দুঃখ-দুর্দশা দূর করতে। তাদের অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান-চিকিৎসার ব্যবস্থা করে উন্নত জীবন নিশ্চিত করতে।