• ২রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আত্মহত্যা করেছে মোসারাত, বলছেন সুরতহাল ও ময়নাতদন্তে  যুক্তরা

দখিনের সময়
প্রকাশিত এপ্রিল ২৯, ২০২১, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ণ
আত্মহত্যা করেছে মোসারাত, বলছেন সুরতহাল ও ময়নাতদন্তে  যুক্তরা

বিশেষ প্রতিনিধি:

সুরতহাল ও ময়নাতদন্তে যারা যুক্ত ছিলেন, তাদের প্রাথমিক ধারণা, মোসারাত আত্মহত্যা করেছেন। শরীরের অন্য কোথাও জখম বা আঘাতের চিহ্ন ছিল না। ঝুলে থাকায় হাত-পা নীল হয়ে গিয়েছিল এবং কিছুটা ফুলে ছিল। গনমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন গুলশান জোনের উপ-পুরিশ কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী। তিনি আরো জানান, মুনিয়া গুলশানের ফ্ল্যাটে সায়েম সোবহান আনভীর যাতায়াত করতেন। তবে ঘটনার দিন তার যাওয়ার কোনো প্রমাণ ফুটেজে পাওয়া যায়নি।

উপ-পুরিশ কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী জানান মুনিয়ার হাতে লেখা ছয়টি ডায়েরি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলার এগুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য। এমনটাই জানিয়েছেন গুলশান বিভাগের উপকমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী। উল্লেখ্য, গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে কলেজছাত্রী মোসারাত জাহানের মুনিয়ার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের পর ওই ফ্ল্যাট থেকে মুনিয়ার হাতে লেখা এ ডায়েরিগলো উদ্ধার করা হয়। ‘ডায়েরিতে আনভীরের সঙ্গে সম্পর্ক, মনোমালিন্য, জীবন সম্পর্কে হতাশার কথা লেখা রয়েছে। আরও বেশ কিছু কথা লেখা রয়েছে তা যাচাই করা হচ্ছে।’এমনটাই  বলছেন সুদীপ কুমার চক্রবর্তী। তিনি বলেন, মামলায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হবে ডায়েরিগুলো।

এদিকে বেশ কিছু ‘ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট’ সংগ্রহ করেছে পুলিশ। ঘটনাটিকে এক সুতোয় গাঁথতে, অর্থাৎ কোন ঘটনার পর কোনটি ঘটেছে, তা জানতে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ, মুঠোফোন ও পারিপার্শ্বিক যে বিষয়গুলো আছে, সেগুলো সংগ্রহ করেছে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার(২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় গুলশানের ১২০ নম্বর সড়কের ১৯ নম্বর বাসার একটি ফ্ল্যাটে থেকে কলেজছাত্রী মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান তানিয়া বাদী হয়ে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে একটি মামলা দায়ের করেন।