• ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চূড়ান্ত বিজয়ের দোড়গোড়ায় পৌঁছে যায় বাংলাদেশ

দখিনের সময়
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১১, ২০২০, ০৮:১০ পূর্বাহ্ণ
চূড়ান্ত বিজয়ের দোড়গোড়ায় পৌঁছে যায় বাংলাদেশ

স্টাফ রিপোর্টার ॥

১৯৭১ সালের আজকের দিনে, ১১ ডিসেম্বর,  মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয়ের দোড়গোড়ায় পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। দেশের অধিকাংশ থানায় স্বাধীন বাংলাদেশের সরকারের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা হয় আজকের দিনে। এদিন জামালপুর ময়মনসিংহ, গাইবান্ধা, চ-ীপুর, টাঙ্গাইল, কুষ্টিয়া, ফুলছড়িহাট ও বাহাদুরবাদ ঘাটসহ মুক্ত হয় অবরুদ্ধ বাংলাদেশের ১২টি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা।

জামালপুর গ্যারিসনে অবস্থানকারী পাকিস্তানি বাহিনী ২১ বেলুচ রেজিমেন্টের ৬ জন অফিসার ও ৫২২ জন সেনা যৌথবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। হানাদারদের মধ্যে নিহত হয় ২১২ জন, আহত হয় ২০০ জন। এদিকে মার্কিন সপ্তম নৌ-বহর বঙ্গোপসাগর অভিমুখে যাত্রা করে। মার্কিন রনতরির হুমকী উপেক্ষা করে মিত্রবাহিনী এগিয়ে চলতে থাকে।

জাতিসংঘের অনুরোধে বিদেশি নাগরিকদের স্থানান্তরের জন্য ঢাকা বিমানবন্দরে সাময়িক সময়ের জন্য বিমান হামলা স্থগিত হয়। যুদ্ধ বিরতির জন্য প্রাদেশিক সরকারের সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী জাতিসংঘ সদর দফতরে জরুরি বার্তা প্রেরণ করেন। কিন্তু হানাদারদের সবকিছুই যায় বিফলে।

বড়াকোটা-হারতা যুদ্ধ: হতাহত

হয় শত্রুপক্ষের অনেকে

স্টাফ রিপোর্টার ॥

শাহজাহান ওমর দায়িত্ব গ্রহণের পরই পাক বাহিনী ৫ সেপ্টেম্বর উজিরপুরে হারতা গ্রাম আক্রমণ করে এবং ১৯ জনকে হত্যা করে। ফেরার পথে মুক্তিযোদ্ধারা পাক সেনাদের লঞ্চ ও গানবোট আক্রমণ করে।

মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ছিলেন ভুতেরদিয়ার নুর হোসেন কমান্ডার ও উজিরপুরের আবদুল অদুদ ও আরো অনেকে। শত্রুপক্ষের একটি লঞ্চ ঘায়েল হয় ও অনেকে হতাহত হয়। মুক্তিযোদ্ধাদের একজন শহীদ হন। হারতা সংঘর্ষের পর মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্প বরাকোটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং সেখানে সাব-সেক্টরের হেড অফিস ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত অবস্থিত ছিল। সেপ্টেম্বর মাসের ৫ তারিখ হতে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত বরিশালের বীর মুক্তিযোদ্ধারা নবম সেক্টরের অধীনে পাকবাহিনী ও রাজাকারদের বিরুদ্ধে আক্রমণ পরিচালনা করে অনেক পাকসেনা, রাজাকার ও দালাল খতম করেন এবং গ্রাম এলাকা মুক্ত রাখেন।