• ১লা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আবার সক্রিয় হিযবুত তাহরীর, মগজ ধোলাই করে মেধাবী ছাত্রদের

দখিনের সময়
প্রকাশিত মার্চ ১৩, ২০২১, ১২:০১ অপরাহ্ণ
আবার সক্রিয় হিযবুত তাহরীর, মগজ ধোলাই করে মেধাবী ছাত্রদের

দখিনের সময় ডেক্স:

মেধাবী ছাত্রদের মগজ ধোলাই করে হিযবুত তাহরীর। এজন্য বাংলাদেশে এ সংগঠনটির রয়েছে ১০টি পাঠচক্র। এসব পাঠচক্রে পাকিস্তান, প্যালেস্টাইন, ইরাক, আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন মুসলিম দেশের যুদ্ধ, মুসলমানদের ওপর নির্যাতনসহ বিভিন্ন বিষয়ের ভিডিও ফুটেজ, স্থির চিত্র ও বিভিন্ন পুস্তিকার মাধম্যে মেধাবী শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

আইনশৃখংখলা বাহিনীর জোর তৎপরতায় কারণে কিছু দিন নিষ্ক্রিয় থাকার পর আবার সক্রিয় হয়েছে জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীর। এ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের দেয়ালে, আজিমপুর খালেক লেন, বাংলামোটর মোড়ে নির্মাণাধীন মেট্রোরেলের পিলারে, কাওরান বাজার সিএ ভবনের দেয়ালে, ফার্মগেটে ইন্দিরা রোড পার্কের পাশের একটি দেয়ালসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হিযবুত তাহরীর পোস্টার লাগিয়েছে।

পাঠচক্রের নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রদের মগজ ধোলাইয়ের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। হিযবুত তাহরীর কর্মী ও সমর্থকরা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা বিনষ্ট করাসহ দেশকে অস্থিতিশীল করে জনমনে ভীতি সঞ্চার করার উদ্দেশ্যে নাশকতামূলক কার্যক্রমের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে গোয়েন্দা সংস্থা মনে করছে।

সূত্র জানায়, নিষিদ্ধ এই সংগঠনের ১২ জন কেন্দ্রীয় নেতার মধ্যে মধ্যে চার থেকে পাঁচ জন পুলিশ ও র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হন। এরপর কয়েক জন কেন্দ্রীয় নেতার ছদ্মবেশে তাদের তত্পরতা চালিয়ে আসছেন। এদের মধ্যে একজন নারী স্থপতি রয়েছেন, যিনি হিযবুত তাহরীরের নারীবিষয়ক কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগর সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। আর গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে হিযবুত তাহরীরের বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়কারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ)’র সহকারী অধ্যাপক মহিউদ্দিন আহমেদকে গ্রিন রোডের বাসায় গৃহবন্দি রাখার পর গোয়েন্দা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। এরপর অধ্যাপক ড. সৈয়দ গোলাম মওলা, ড. শেখ তৌফিক, সাংগাঠনিক সম্পাদক মোরশেদুল আলমকে গ্রেফতার করা হয়।